সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সরকারকে বিভ্রান্ত করেছে চালকল মালিকরা : মির্জা আজম

নিউজ ডেস্ক:: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, ‘চাল মিল মালিকরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারকে বিভ্রান্ত করেছেন। চালের দাম বৃদ্ধিতে পাটের বস্তা ব্যবহারের কোনো প্রভাব নেই। তাই আগামী তিন মাস বিদেশ থেকে আমদানিকৃত চালে শুধু প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করা যাবে। তবে অভ্যন্তরীণ চালের ক্ষেত্রে অবশ্যই পাটের বস্তা ব্যবহার করতে হবে।’

চালের দাম কমাতে চাল সংরক্ষণ ও পরিবহনে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের একদিন পর বুধবার এ কথা বললেন প্রতিমন্ত্রী। এ উপলক্ষে সচিবালয়ে নিজ দফতরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

মির্জা আজম বলেন, ‘অটো রাইস মিল মালিকদের প্লাস্টিক বস্তা তৈরির ফ্যাক্টরি রয়েছে। তারা অবৈধভাবে প্লাস্টিক বস্তা তৈরি করে। যা আমাদের পরিবেশ ও পাট শিল্পকে ধ্বংস করে। তবে ১৭টি পণ্যে পাট বস্তা ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করায় অনেকগুলো কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কারখানাগুলো আবার চালু করার জন্য মিল মালিকরা এ মিথ্যাচার করেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে যে ১৭টি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন রয়েছে তা বলবত থাকবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

পাটের বস্তা ব্যবহারে চালের দাম বৃদ্ধি না হওয়ার কারণ ব্যাখা করে দিনে বলেন, ‘বাজারে ৫০ কেজি ধারণ ক্ষমতার পাটের বস্তার দাম ৪৪ টাকা। এ বস্তা একবার ব্যবহার করে বিক্রি করলেও অন্তত ২০ টাকা দাম পাওয়া যাবে। অথবা একই বস্তা অন্তত তিনবার ব্যবহার করা যায়। আর প্লাস্টিকের বস্তার দাম ২০ টাকা। তবে এ বস্তা একবারের বেশি ব্যবহার করা যায় না। সুতরাং বিষয়টা একই রকম দাঁড়াল।’

‘তারপরও যাদি পাটের বস্তার জন্য চালের দাম বাড়ে সেটা খুব বাড়লে প্রতিকেজিতে ৫০ পয়সা বাড়ত। কিন্তু দাম তো বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা।’-বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমদানি করা চালের বস্তায় আমদানিকৃত সিল থাকতে হবে। এই সিল থাকলে ক্রেতারা প্লাস্টিকের বস্তা ঘর পর্যন্ত নিতে পারবেন। কোথাও কেউ আটকাবে না।’

এরআগে গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক বৈঠকে মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা চাল সংরক্ষণ ও পরিবহনে বাধ্যতামূলকভাবে পাটের বস্তা ব্যবহারের কারণে চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান। প্লাস্টিকের বস্তা অনেক সাশ্রয়ী উল্লেখ করে এটা ব্যবহার করলে চালের দাম কমবে বলেও তারা জানান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ বলেছিলেন, ‘প্লাস্টিকের বস্তাসহ ব্যবসায়ীরা যে যেভাবে খুশি চাল পরিবহন করতে পারবেন।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: