সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এক দিকে মানবতা অন্যদিকে বর্বরতা

মোঃ কায়ছার আলী: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী এহুদ এলমার্ট বলেছিলেন যে, গাঁজায় ইসরাইলী হামলায় নিহত ফিলিস্তিনি শিশুর বাবার সাহায্যের আর্তনাদ শুনে তিনি চোখের পানি ফেলেছেন। চার হাজার বাড়ি ধ্বংস, বিশ হাজার বাড়ি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত, লক্ষাধিক মানুষ গৃহহারা, তেরশত লোক হত্যা অর্থাৎ হামাস কে নির্মূল করার নামে নিহতদের তালিকায় বেশির ভাগই ছিল নারী ও শিশু। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী হামলা স্কুল, হাসপাতাল, আন্ত:সাহায্য সংস্থার দপ্তর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোও রক্ষা পায়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিরাম বোমাবর্ষনে (আগুনে) উত্তর স্পেনের ছোট্ট শান্ত শহর গুয়েরনিকাকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলেছিল জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাংকোর বাহিনী। আর বোমার আঘাতে যারা বেঁচেছিলেন তাদের মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল তাদের দেহ। কালজয়ী শিল্পী পাবলো পিকাসো সেই বর্বরতাকে মুর্ত করে তুলেছিলেন গুয়ের্নিকা নামক তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মে। সেই ছবিটি দেখিয়ে ফ্রাংকোর সেনারা শিল্পীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, এটা কি তুমি করেছ ? উত্তরে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে পিকাসো বলেছিলেন, ‘না তোমরা করেছ ?’ আজ রোহিঙ্গা জাতি রাখাইন বা আরাকান রাজ্যে জন্ম নেওয়া লোকদের উপর যে হারে নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ করা হচ্ছে তা তথ্য ও প্রযুক্তির যুগে বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা বিশ্ববাসী দেখতে পাচ্ছে। বিবেকবান মানুষ এই দৃশ্যগুলো দেখে কি শান্তিতে ঘুমোতে পারবে ? জাতিসংঘ বলছে ‘জাতিগত নিধন’। আবার কেউ কেউ বলছে ‘গণহত্যা’। মানব ইতিহাসে গণহত্যা কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। জাপানী কিশোরী মিস মুরাতো এবং আনাফ্রাংকের ডায়েরীর মাধ্যমে হিরোশিমা এবং নাৎসি বাহিনীর জঘন্যতম ইতিহাস পড়লে আমাদের শরীর আজও শিহরিত হয়। যদিও গণহত্যা গবেষণার বিষয়, আজও গণহত্যা হয়ে চলেছে। মৃত্যুর সংখ্যাও সুনির্দিষ্ট না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পাঁচ থেকে আট কোটি, হিরোশিমায় প্রায় ৬০ হাজার, নাগাসাকিতে ৪০ হাজার। চীনের রাজধানী নানকিং এ দেড় লাখ জাপানি সৈন্যদের দ্বারা প্রায় চার হাজার লাখ চীনা হত্যা এবং হাজার হাজার নারী বলাৎকার হয়। হিটলার বাহিনী কর্তৃক ষাট লাখ ইহুদী গণহত্যার শিকার হয়।রুয়ান্ডার টাট্সী ও হুটুর মধ্যে পনের বছর প্রায় পাঁচ লাখ সংখ্যালঘু গণহত্যায় নিহত হয়। কম্পোডিয়ার বৌদ্ধদের হাতে পাঁচ থেকে সাত লাখ মানুষ গণহত্যায় মারা যায়। বেলজিয়ামের কুখ্যাত রাজা দ্বিতীয় লিওপোন্ডোর হাতে কঙ্গো কিনে প্রায় এক কোটি মানুষকে ভয়াবহ অত্যচার, অঙ্গচ্ছেদ এবং মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন। ৯০ এর দশকে বসনিয়াও কসোভোয় ইসলামী মনোভাবাসম্পন্ন মুসলমানদের উপর যুদ্ধ জয়ের কৌশল মনে করে কন্যা শিশুদের উপর ধর্ষণ ও গণহত্যা চালায় সার্বিয় বাহিনী।আমাদের দেশেও ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাত থেকে ১৬ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত গণহত্যা চালিয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানি সৈন্যরা। যারা গণহত্যা চালায় তারা কখনও এটা স্বীকার করতে চায় না বরং তারা বলতে থাকে, শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে কাজ করছে তাদের বাহিনী, যেটা আজ মিয়ানমার সরকার বলছে। স্বাধীনতা হারানো রোহিঙ্গা জাতির ভাগ্যে আজ যা হচ্ছে তা কি গণহত্যার পর্যায়ে পড়ে না?। পাখি পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকে, আবার পাখি মারা গেলে, পোকামাকড় পাখিকে খেয়ে বেঁচে থাকে। আইনস্টাইন ও তাঁর পরিবার এবং ইহুদীরা একসময় সারা পৃথিবীতে শরণার্থী ছিল। আজ তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এক কোটি পূর্বপুরুষ ১৯৭১ সালে ভারতে শরণার্থী ছিল। আমরাও ঘুরে দাঁড়িয়েছি।সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সম্মানের সাথে বেঁচে আছি এবং শরণার্থী রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় দিচ্ছি। এটা বাস্তবতা বা ইতিহাস। পৃথিবীর ইতিহাসে উত্থান বা পতন আছে। সহজ কথায় বলা যায়, একই বৃন্তের দুটি ফুল। তের হাজার বছর আগে প্রথম মানব বসতি বার্মায় স্থাপিত হয়। ইতিহাস ও ভূগোল বলছে রাখাইন প্রদেশে পূর্ব ভারত থেকে খ্রিষ্টাপূর্ব পনের‘শ বছর আগে অস্ট্রিক জাতির একটি শাখা কুরুখ (কঁৎঁশয) নৃগোষ্ঠী প্রথম বসতি স্থাপন করে। ক্রমান্বয়ে বাঙালি হিন্দু (পরবর্তীকালে ধর্মান্তরিত মুসলিম), পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, পাঠান এবং অষ্টম শতাব্দীতে আরবরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। এসব নৃগোষ্ঠী সংকরজাত জনগোষ্ঠীই হল এই রোহিঙ্গা। বস্তুত রোহিঙ্গারা হল আরাকান বা রাখাইনের একমাত্র ভূমিপুত্র জাতি। আরাকানের প্রাচীন নাম রূক্ষ জনপদ, বর্তমানে রাখাইন। রাখাইন শব্দ এসেছে পালি শব্দ রাক্ষপুরা থেকে, যার সংস্কৃত প্রতিশব্দ হল রাক্ষসপুরা। অর্থাৎ রাক্ষসদের আবাসভূমি। প্রাচীন হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রাদিতে অষ্ট্রিক (অষ্ট্রালয়েড) মহাজাতিকে রাক্ষস জাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। মজার ব্যাপার হল- মগ জাতির কিন্তু অষ্ট্রালয়েড মহাজাতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, তারা মঙ্গোলয়েড মহাজাতির অন্তর্ভুক্ত জাতি। বর্তমান আরাকান মিয়ানমারের একটি অঙ্গরাজ্য। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বাংশে অবস্থিত এবং অতি প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃর্ক্ত। বঙ্গোপসাগর এবং নাফ নদীর দক্ষিণ-পশ্চিম মোহনা বেষ্টিত আরাকান-ইয়োমা নামে দীর্ঘ পর্বত শৃঙ্গ আরাকানকে মিয়ানমারের অন্য অংশ থেকে আলাদা করেছে। ১৭৩১ থেকে ১৭৮৪ সালের মধ্যে আরাকান রাজ্যকে তেরজন রাজা শাসন করেন এবং এ রাজ্যদের গড় শানকাল দুই বছরের বেশি ছিলনা। ১৭৮৪ সালে বোদাউপায়ার সময়ে আরাকান রাজ্য বার্মা পর্যন্ত বর্ধিত করা হয় এবং ১৮২৬ সালে এটি ব্রিটিশ ডোমিনিয়নের অংশে পরিণত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি সাময়িক ভাবে জাপানের দখলে ছিল। ১৮৪৮ সারে ৪ঠা জানুয়ারী বার্মা স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৪৬ সালে যখন ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল তখন আরাকানের মুসলিম নেতারা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাদের পাকিস্তানের সাথে একীভূত করতে আগ্রহ দেখাননি। ব্রিটিশরা বার্মার স্বাধীনতা পূর্ববর্তী একশ ঊনচল্লিশটি জাতি গোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করলেও তখন ঐ তালিকায় রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভূক্ত হয়নি। এটা ব্রিটিশদের ইচ্ছাকৃত ভুল নাকি অপকৌশল, প্রশ্ন রয়েই যায়। আরাকানের মুসলমানদের একাংশের নেতা কাশেম রাজা তাদের জাতিগত অধিকার প্রশ্নে বিদ্রোহ করেন। তবে তা সার্থক হয়নি। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের চলে এসে কারারুদ্ধ হন। তখন রোহিঙ্গারা শক্তিহীন হয়ে পড়ে। বর্মী সরকার অভিযোগ উত্থাপন করে যে, রোহিঙ্গারা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে সদ্য অভিবাসিত একটি উপজাতি। অতএব তাদের স্থানীয় আদিবাসী গণ্য করে বর্মী শাসনতন্ত্র অনুযায়ী বার্মার নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী বার্মার নাগরিকত্ব দেওয়া যায় না। মূলত বার্মার প্রকৃত নাগরিক না হওয়াটাই রোহিঙ্গাদের বার্মা থেকে বের করে দেওয়ার মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। যদিও মিয়ানমারের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে তারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি করেনি। বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারে দুই নারীসহ ১৭ জন রোহিঙ্গা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একজন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন। সরকারের সচিবসহ শীর্ষ পদেও আসীন ছিল রোহিঙ্গারা। ১৯৯০ সালের নির্বাচনেও পার্লামেন্টে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের চারজন প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব চুড়ান্তভাবে কেড়ে নেওয়া হয় ১৯৮২ সালে নাগরিকত্ব আইন বাস্তবায়নের নামে। নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভোটাধিকার হরণ করে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। বার্মার স্বাধীনতা লাভের ছয় মাস পূর্বে সেনাবাহিনীর কমান্ডার ও প্রতিষ্ঠাতা সূচির পিতা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সহ আততায়ীয় গুলিতে নিহত হন। ১৯৬২ সালের ২রা মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জেনারেল নে উইন বার্মার ক্ষমতা দখল করেন। সেই সামরিক জান্তাও সূচিকে দীর্ঘ পনের বছর গৃহবন্ধী বা কারারুদ্ধ করে রাখেন। সামরিক জান্তা তখন থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে বিদেশী হিসেবে চিহ্নিত করে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তাদের দমন এবং বিতাড়ন শুরু করেন। ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সূচি ভবিষ্যতে যেন ক্ষমতার ভাগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন সেজন্য ২০০৮ সালে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন চারভাগের একভাগ (উভয় কক্ষের) তাদের জন্য আসন সংরক্ষিত, বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে এবং তার সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। তিনটি মন্ত্রণালয় (স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত বিষয়ক) সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের চেয়ে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বেশি। দেশটির গণতান্ত্রিক সরকারকে সাসপেন্ড করার ক্ষমতা ন্যাশনাল ডিফেন্স অফ সিকিউরিটি কাউন্সিলের। যেটির ১১টি আসনের ৬টি তেই আবার সেনাবাহিনী নিয়োগকৃত। একটি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ তাদের জন্য সংরক্ষিত। সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন চার ভাগের তিন ভাগ আসন। সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন চার ভাগের তিন ভাগ আসন। বেসামরিক সরকার একাট্টা হলেও সামরিক বাহিনীর সমর্থন প্রয়োজন। সূচি রোহিঙ্গা নির্যাতনে চুপ করে থাকা অথবা নিজে পদত্যাগ করা ছাড়া আর বেশিকিছু করতে পাবেন বলে আমার মনে হয় না। প্রাকৃতিক নিয়মে ইতিহাস বারবার ফিরে আবে। ১৯৭১ সালে ইন্দ্রিরা গান্ধি এবং ভারতের জনগণের সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের জনগনের মহানুভবতা বা উদারতার মিল রয়েছে যা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। কারণ তারা আমাদের আশ্রয় দিয়েছিল, আমরা ও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছি। রোহিঙ্গাদের শরণার্থী সংখ্যা চার লাখের বেশি, দিনে দিনে সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মায়ানমারের বর্বরতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানবতা আমাদেরকে বিশ্ব মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করছে। কেউ বলছে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার, কেউ চাইছে সেইফ জোন, কেউ দিচ্ছে আর্থিক ও খাদ্য সাহায্য-সহযোগীতা। কফিআনান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের মুহুর্তে কেনই বা রোহিঙ্গারা (বা অন্য কেউ) একযোগে পুলিশ ফাঁড়িতে আক্রমণ করল? এতে চিন্তাশীল মানুষেরা ধাঁধাঁ গ্রস্থ হয়েছে কিন্তু যুক্তিহীন হয়নি। রোহিঙ্গাদের ফেরক দিয়ে কফিআনান কমিশনের রিপোর্টের আপাতত বাস্তবায়ন চাই। যে রিপোর্টে রয়েছে রোহিঙ্গাদের প্রতি নির্যাতন বন্ধ, অবাধ চলাচলে স্বাধীনতা এবং নাগরিকত্ব প্রদানসহ ইত্যাদি ইত্যাদি।

লেখকঃ মোঃ কায়ছার আলী, শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: