সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৪১ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বালাগঞ্জে হাত-পা বেঁধে ডোবায় ফেলে হত্যা করা হয় ফয়সলকে

400px-BalaganjUpazilaবালাগঞ্জ প্রতিনিধি:: চোর সন্দেহে হাত-পা বেঁধে একটি ডোবায় ফেলে বালাগঞ্জের ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী ফয়সল মিয়াকে হত্যা করা হয়। পরে লাশ অন্যত্র সরিয়ে ফেলে আসা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলামের খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে মামলার প্রধান আসামি আছলিম আলী ওরফে গেদাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সে জানায়, হত্যাকান্ড সংঘটিত করতে কাজিপুর গ্রামের এক যুবকসহ লাশ অন্যত্র ফেলে আসতে আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে হত্যাকান্ডে সাথে জড়িত অন্যান্যদের নাম প্রকাশ না করলেও আছলিমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার রাতে আলামীন ওরফে ইসলামকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। আটককৃত আলামীন কাজিপুর গ্রামের প্রবাসী কণু মিয়ার বাড়ির কেয়ারটেকার। এ নিয়ে মামলায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হলো। এর আগে মামলা দায়েরের প্রায় দুই সপ্তাহ পরে সন্দেহভাজন হিসেবে উপজেলার খারমাপুর গ্রামের দোকান কর্মচারী মুহিদকে আটক করা হয়। বর্তমানে সে জেল হাজতে রয়েছে। মামলা দায়েরের আড়াই মাস পর বালাগঞ্জ থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাতে বালাগঞ্জ উপজেলার কালিবাড়ি বাজার এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামী আছলিমকে গ্রেফতার করে বুধবার তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এদিকে হত্যাকান্ডের পর লাশ অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কাজে ব্যবহৃত সন্দেহে কাজিপুর গ্রামের সিরাজুজ্জামান খান মঙ্গুর একটি মাইক্রোবাস (লাইটেস) বুধবার আটক করে বালাগঞ্জ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ জুন উপজেলার বোয়ালজুড় ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকা থেকে বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মজলিশপুর গ্রামের হত দরিদ্র লাল মিয়ার ছেলে ফয়সলের মৃত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল হান্নান বাদি হয়ে কাজিপুর গ্রামের সোনা উল্লার ছেলে আছলিম ওরফে গেদাইকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে গত ১ জুলাই বালাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে হত্যাকান্ডের সরাসরি জড়িত কাজিপুর গ্রামের অতি উৎসাহী এক যুবককে কৌশলে মামলা থেকে বাদ দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এলাকার নিরিহ লোকজনকে মামলায় জড়িয়ে হয়রাণী করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জালাল উদ্দিন বলেন, মামলার প্রধান আসামী আছলিম হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। হত্যাকান্ডের সাথে আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে, তাদেরকেও গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। আছলিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামীন ওরফে ইসলাম নামে আরো একজনকে বুধবার রাতে আটক করে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: