সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে বন্যার পর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ

1. daily sylhet 0-17মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:: মৌলভীবাজারের হাকালুকি ও কাউয়াদিঘি হাওরের রাজনগর, জুড়ী, বড়লেখা এবং সদর উপজেলার বন্যার পানি আগের তুলনায় অনেক কমেছে গেছে। তবে পানি কমলেও এসব এলাকার মানুষ পানিবাহিত রোগসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন। দিন যত যাচ্ছে তত বৃদ্ধি পাচ্ছে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা।

বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যানিটেশন সংকট এর অন্যতম কারণ। বন্যার্তদের খাবার পানি বিশুদ্ধ করার জন্য দেয়া হচ্ছে ওষুধ, তাও আবার চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। আর রান্না ঘর ডুবে যাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে রান্নার কাজে নিত্য প্রয়োজনীয় রান্না ছাড়া পানি ফোটানোর সুযোগও পর্যাপ্ত নেই। অন্যদিকে টয়লেটগুলো পানিতে ডুবে যাওয়া চরম স্যানিটেশন সংকট।1505116045

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, কুশিয়ারার পানি মৌলভীবাজারের শেরপুরে বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কাউয়াদিঘি হাওরের পানি কুশিয়ারা নদী দিয়ে নেমে যায়। তবে কুশিয়ারার পানি কাশিমপুর অংশে পানি যাচ্ছে ধীরগতিতে। তাই কাউয়াদিঘি হাওর থেকে পানি নামতে পারছে না। তারপর ও পানি আগের চেয়ে কম আছে। কুশিয়ারার পানি দ্রুতগতিতে নামতে পারলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। সবমিলিয়ে আগের তুলনায় পানি অনেক কমেছে। রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নকুল দাশ জানান, ১০ থেকে ১২দিন আগে টানা বৃষ্টির কারণে নতুন করে প্লাবিত হয় অর্ধশত গ্রাম। এর মধ্যে রাজনগর উপজেলার ইসলামপুর, অন্তেহরি, সোনাপুর, বেতাগঞ্জ, বিলবাড়ি, শাহবাজপুর ও গোবিন্দপুর এলাকায় মানুষ বেশি বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এসব গ্রামের নিচু জায়গায় আগে থেকেই পানি থাকলেও ভারি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ছড়ার পানি আসায় কাউয়াদিঘি হাওরের পানি দেড় থেকে দুই ফুট বৃদ্ধি পায়। ফলে শত শত বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করে। তলিয়ে যায় কাঁচাপাকা রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও রোপা আমনের বীজতলা।
তিনি আরও জানান, বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় অন্তহরি আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়সহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ কারণে বন্ধ রয়েছে ওই সব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। একই সঙ্গে বন্যায় ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের পানি উঠেছে। তবে এখন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে।

কুলাউড়া ভুকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির জানান, হাকালুকি হাওরের পানি আগের চেয়ে কমেছে। তবে পানি কমলে ও রাস্তাঘাটের বেহালদশা। মানুষের দুভোর্গের শেষ নেই। আর পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে হাওরবাসী।

জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম জানান, দফায় দফায় এ জেলায় বন্যা দেখা দিচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গতদের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক দফা ত্রাণ দেয়া হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: