সর্বশেষ আপডেট : ৩২ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে বাড়ছে পানি, দূর্ভোগে ভাটির মানুষ

sunamgon news pic-(1)-12,08,17সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:: সুনামগঞ্জে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলের কারনে পানি বাড়তে থাকায় জেলার প্রায় সবকটি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পরেছে। উপজেলা ও জেলা সদরের সাথে সড়ক পথের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়র উপক্রম হয়ে দাড়িয়েছে। এছাড়ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান পানিতে ডুবে যাওয়ার কারনে জেলার ৭টি উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উপজেলাগুলো হল,সুনামগঞ্জ সদর,তাহিরপুর,বিশ্বম্ভরপুর,দোয়ার বাজার,দক্ষিন সুনামগঞ্জ,দিরাই ও ধর্মপাশা।sunamgonj news pic (3)-12.08,17

জানা যায়,জেলার সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমান ৭৭সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার সীমান্তে যাদুকাটা নদী দিয়ে পাহাড়ী ঢলের পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ায় তাহিরপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী বিন্নাকুলি বাজারের আংশিক ও আনোয়ারপুর বাজারের সড়ক ও প্রায় ৫০টি দোকান পানির চাপে ভেঙ্গে ভেসে গেছে । এছাড়াও নদীর র্তীরবর্তী বসত বাড়িগুলো রক্ষা করার জন্য এলাকার লোকজন করছে পানির সাথে যুদ্ধ। জেলার কর্মজীবি শ্রমিকগন রয়েছে একবারেই বেকার অসহায় অবস্থায় । পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়
বিশ্বম্ভরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা,মধ্যনগর,দোয়ারাবাজার,ছাতক,দিরাই-শাল্লা সবকটি উপজেলায় ২ হাজার হেক্টরের অধিক রোপা আমন ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে মাছের ঘের। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাযেজিদ খান জানান,বন্যায় শিক্ষার্থীদের নিরাপ্তÍার কথা চিন্তা করেই ৭টি উপজেলায় পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে পরবর্তী কাযক্রম গ্রহন করা হবে। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিকুর রহমান জানান,গত শুক্রবার ২৪ঘন্টায় গড় বৃষ্টিপাত ২০৫ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আরো জানান,আগামী সোমবার পর্য়ন্ত জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত থাকবে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখঞ্জি জানান-সকাল থেকে বন্যায় আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। বন্যার কারণে উপজেলার দ্বীপ সাদৃশ্য গ্রাম গুলোতে বসবাসকারী মানুষ রয়েছেন উদ্ধেগ আর উৎকন্ঠা মধ্যে। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে বাড়ি থেকে বেড় হতে পারছেন না সাধারন মানুষ। সরকারী সহায়তা এখন খুবেই প্রয়োজন। এদিকে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব মতিউর রহমান শনিবার বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বিভিন্ন দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি সার্বিক বন্যার আশংঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহনের আহবান জানান। জেলা প্রশাসক মোঃ সাবিরুল ইসলাম জানান,দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সবাইকে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলেছি। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করতে বলা হয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় আমরা সবাই প্রস্তুত আছি। জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ে নিয়ন্ত্রন কক্ষ খোলা হয়েছে। এখান থেকে জেলার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: