সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ছাতকের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

Surma Bonna Picজাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ছাতক:: ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নিম্মাঞ্চলসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্ল¬াবিত হয়েছে। বর্তমানে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। উপজেলার নিম্মাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ হয়ে পড়েছে পানিবন্দি। বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে গ্রামাঞ্চলের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পানিবন্দি অবস্থায় নির্ধারিত দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য কোন আশ্রয় কেন্দ্র খোলার খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ৩-৪দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ও নোয়ারাই ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। গ্রামীন রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ।

এছাড়া ছাতক সদর, কালারুকা, চরমহল¬া, দোলারবাজার, ভাতগাঁও, উত্তর খুরমা, দক্ষিন খুরমা, সিংচাপইড়, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাও, ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নসহ পৌরসভার নিম্মাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার, চেলা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ায় নৌপথে ছোট-ছোট ফেরী নৌকা চলাচল প্রায় বন্ধ গেছে।

এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দু’য়েক দিনের মধ্যেই ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ারও আশংকা রয়েছে। জামুরা, চানপুর, নেয়াগাঁও, ভাসখলা, করচা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঝুকি নিয়ে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা দিচ্ছে। বৈশাকান্দি এফআইভিডিবি স্কুল, নোয়ারাই ইউনিয়নের চরভাড়া মাদ্রাসা, লামাপাড়া ব্র্যাক স্কুলে বন্্যার পানি প্রবেশ করেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় শতাধিক হেক্টর রোপা আমন জমি ও বীজতলা। কয়েকটি ষ্টোন ক্রাসার মিল, পোল্ট্রি ফার্ম ও মৎস্য খামারে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। শাক-সবজির বাগানেও পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে কৃষকদের। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস জানান, বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় পানি প্রবেশ করেছে। প্রকৃতির এ বৈরী পরিবেশেও নিয়মিত দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তা কেএম বদরুল হক জানান, বন্যার পানিতে এখন পর্যন্ত রোপা আমন জমি ৫৬ হেক্টর ও ২৫ হেক্টর বীজতলা তলিয়ে গেছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: