সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বৃক্ষমানবের জিনের ত্রুটি নির্ণয়ে তিন বাংলাদেশির সাফল্য

1499885271নিউজ ডেস্ক:: দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত বৃক্ষমানবের ‘জিন’ ত্রুটি নির্ণয়ে অভাবিত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশের তিন গবেষক। এরা হলেন— ডা. কেএম ফোরকান উদ্দিন ও ডা. মোঃ রোবেদ আমিন ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান বৈজ্ঞানিক ডক্টর মোহাম্মদ উদ্দিন ড্যাফিল। এই তিনজন সম্প্রতি জেনম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে খুলনার বৃক্ষ মানবী সাহানা খাতুনের জিনের ত্রুটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। আগামী অক্টোবরে আমেরিকার ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জেনেটিসিস্টদের প্রধান প্লাটফর্ম ‘আমেরিকান সোসাইটি অব হিউম্যান জেনেটিক্স’ আয়োজিত ৬৭তম সায়েন্টিফিক কনফারেন্সে গবেষণাপত্র উপস্থাপনা করার জন্য তারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি গবেষকদের এই কাজে সহযোগিতা করেছে কানাডার ‘হসপিটাল ফর সিক চিল্ড্রেন’ (সিককিডস)।

কর্মসূত্রে ড. মোহাম্মদ উদ্দিন ড্যাফিল রাজধানীর জেনম সিকোয়েন্স ল্যাব ‘নিউরোজেন’ এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ডা. কেএম ফোরকান উদ্দিন ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজের ফ্যাকাল্টি এবং ডা. রোবেদ আমিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। জানতে চাইলে ডা. কেএম ফোরকান উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, ট্রি ম্যান সিনড্রোম বা বৃক্ষ মানব রোগ একটি বিরল ধরনের জিনঘটিত সমস্যা; যা দ্বারা সাধারণত হাত ও পা আক্রান্ত হয়ে গাছের শাখা প্রশাখার আকার ধারণ করে। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘এপিডার্মোডিপ্লেসিয়া ভেরুসিফর্মিস’। এই রোগের এখনো পর্যন্ত কোনো চিকিত্সা নেই। আমরা এই রোগীর জিনের ত্রুটি নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছি। পরবর্তীতে এই রোগের জিন থেরাপি আবিষ্কারের জন্য কাজ করে যাব। আমাদের আরো একটি পরিকল্পনা হচ্ছে, অটিজমের জেনম সিকোয়েন্সিং বাংলাদেশেই করবো। ডা. ফোরকান আরো বলেন, জেনম সিকোয়েন্সিংয়ের ঘটনা বাংলাদেশে আমরাই প্রথম করেছি।

উল্লেখ্য, আবুল বাজানদার নামে ২৭ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি যুবক বৃক্ষ মানব রোগে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সকরা তার হাত ও পায়ের ১৬টি স্থানে অপারেশনের মাধ্যমে প্রায় ৫ কেজি বৃক্ষ সদৃশ টিস্যু অপসারণ করেন।

গত জানুয়ারি মাসে একই রোগ নিয়ে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি হন খুলনার ১০ বছর বয়সী মেয়ে সাহানা খাতুন। বাংলাদেশের তিন গবেষক সাহানা খাতুনের ডিএনএ সংগ্রহ করেন। এরপর দীর্ঘ গবেষণার পর জেনম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে তার জিনের ত্রুটি নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন; যা চিকিত্সা বিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: