সর্বশেষ আপডেট : ২৬ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ফিটনেস দেখে নেওয়ার সুযোগ

1499751308স্পোর্টস ডেস্ক:: গত বছর সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে টানা খেলা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। তারপর গত ১০ মাস ধরে আর ফিটনেস ক্যাম্পে একত্রিত হওয়ার সুযোগ মেলেনি ক্রিকেটারদের।

অবশেষে গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দীর্ঘদিন পর শুরু হলো একটি ফিটনেস ক্যাম্প। এই ক্যাম্প উপলক্ষে জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখাসাক্ষাত্ও হলো তারকা ক্রিকেটারদের। ক্যাম্পের প্রথম দিনটা তাই হয়ে উঠল একটা মিলন মেলা।

ট্রেনিং ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ট্রেনার মারিও ভিল্লাবারায়ন বলছেন, এই মিলনমেলাকে তিনি কাজে লাগাতে চান আলাদা আলাদা করে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের অবস্থাটা দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

গতকাল ফিটনেস ক্যাম্পের সূচনালগ্নে মারিও বলছিলেন, ‘দীর্ঘদিন পর আমরা একটা ফিটনেস ক্যাম্প করার সুযোগ পেলাম। গত প্রায় আট মাস ধরে আমরা টানা খেলার মধ্যে ছিলাম—ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক। ফলে এটা আলাদা আলাদা করে খেলোয়াড়দের ফিটনেস লেভেল দেখে নেওয়ার জন্য ভালো একটা সুযোগ। আমাকে এখন ঠিক করতে হবে আগামী তিন থেকে ছয় সপ্তাহ আমরা কী ধরনের দুর্বলতা ঠিক করতে কাজ করব।’

মারিও পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন, এই কাজ সকলের জন্য ঠিক একই হবে না। কেউ কন্ডিশনিং করবেন, কেউ স্ট্রেন্থ নিয়ে কাজ করবেন। আবার কাউকে কাউকে দুটো নিয়েই কাজ করতে হবে। এটা নির্ভর করে ক্রিকেটাররা কে কী অবস্থায় আছেন, তার ওপর।

দেখতে দেখতে বাংলাদেশে তিন বছর প্রায় পার করে ফেললেন এই শ্রীলঙ্কান ট্রেনার। তিনি বলছেন, এই তিন বছরে তিনি ক্রিকেটারদের মানসিকতায় বিপুল একটা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে নিজের ইচ্ছায় ও উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করার প্রবণতা নিয়ে বললেন তিনি, ‘আমার এদের সঙ্গে লম্বা এই কাজ করার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিটা হলো, আচরণে পরিবর্তন আসা। এখন ছেলেরা আরো কাজ করতে চায়। তারা আরো পরিশ্রম করতে চায়। তারা নিজেদের উদ্যোগে ট্রেনিং করে। এটা কয়েক বছর আগে ছিল না। এখন তারা নিজেরা উদ্যোগ নেয় আরো ট্রেনিং করার।’

এসবের সুফল যে বাংলাদেশ পাচ্ছে না, তা নয়। এখন ক্রিকেটারদের লম্বা ইনিংস খেলার ক্ষমতা বেড়েছে। মাঠে ফিটনেসের পরিবর্তন চোখে পড়ে। কিন্তু একইসঙ্গে এটাও সত্যি যে, ফিল্ডিংয়ে দুর্বলতা বলার মতো কমেনি। এই প্রসঙ্গে মারিও বলছিলেন, এটা আসলে মানসিকতা ও স্কিলের একটা সমন্বয়ের ব্যাপার। সেখানে কিছু ঘাটতি থাকলে তা নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।

এই ক্যাম্পে মারিও মিস করবেন তামিম ইকবালকে। সঙ্গে শুরুতে লম্বা একটা সময় পাবেন না এইচপি স্কোয়াডে থাকা পাঁচ ক্রিকেটারকে। মারিও এদের ওপর আস্থা রাখতে চান। বিশেষ করে তামিম প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘সে (তামিম) জানে, তাকে কী করতে হবে। আপনারা দেখেছেন, গত বছর তিনেকে সে কত উন্নতি করেছে। আমরা তার ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই। সেই সঙ্গে মনে করি, সে নিজের কাজটা করে ফিরবে। আর এইচপিতে ফিটনেস লেভেল, স্কিল; সব ব্যাপার নিয়েই কাজ চলে। ফলে আশা করছি, ওরা যখনই যোগ দেবে ওরা তৈরি থাকবে সেরাটা দেওয়ার জন্য।’




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: