সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হস্তশিল্পে এগিয়ে তরুণী অনলাইন উদ্যোক্তারা

1499660184নিউজ ডেস্ক:: দীর্ঘদিন যাবত চলে আসছে অনলাইন বেচাকিনি। যা মূলত সাড়া জাগানো নজরে এসেছে ২০১১ থেকে। বাসায় বসে থেকে অনেক গৃহিণী নারী উদ্যোক্তা এগিয়ে আছে অনলাইন বাজারে। এখান থেকে পিছিয়ে নেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণীরাও। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেদের ফ্যাশন ডিজাইনকে নিজেদের মতো নতুনত্ব এনে, বাংলার সংস্কৃতির আবহমান বজায় রেখে, রংতুলি থেকে নিয়ে নানা কারুকার্যে তৈরি করে যাচ্ছে শাড়ি, গয়না, হাতের আংটি, ব্রেসলেটসহ নিত্যনতুন অলঙ্কার। শুধু সময় কাটানোর তাগিদেই নয়, অনেকটা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ক্ষেত্রেও অবদান রেখে থাকে তাদের এই বেচাকিনির সাইট। এটা নিয়ে স্বপ্ন তাদের প্রচুর। এর বর্তমান ও আগামী নিয়ে সাড়া কি রকম পাচ্ছে, ভাবনা কেমন জানতে চাওয়ায় দীপ্তমান, একরাশ স্বপ্নচোখে তরুণীরা তা জানান অকপটে। জানাচ্ছেন ইফ্ফাত আরা মুনিয়া

অদিতি মৃন্ময়ী

কালারস এন্ড টেইলস

‘বাংলাদেশি ফোক আর্ট’ থেকে প্রেরণা পেয়েই আমার আসলে এই উদ্যোগটা নেয়া। আমি নিজে একজন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্রী। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই টুকিটাকি ডিজাইন করে আসছি। ফ্যাশন ডিজাইনের প্রতি একধরণের দুর্বলতা কাজ করে আসছে সর্বদাই। তাই গহনা, শাড়ি, জামাকাপড় সবকিছুর ডিজাইন আমি নিজে একাই করে থাকি। লোকশিল্পের প্রতি ভালোবাসা থেকেই প্রধানত আমার এ সাইটটার নাম এমন দেওয়া। লেখাপড়াতে খুব একটা ক্ষতি যে হয় তা না। বরং অবসর পেলেই কাজ নিয়ে বসি। পড়ার চাপ বেড়ে গেলে কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখি। এমনিতে শপ নিয়ে সাড়া পাচ্ছি বেশ। অনার্স শেষ হওয়ার পরই ইচ্ছে আছে ফ্যাশন ডিজাইনের উপর মাস্টার্স করার এবং এই অনলাইন শপটাকে আরো বড় করার। অনলাইনের পাশাপাশি একটা ফ্যাশন হাউজ করার। নিজের কাজের মধ্য দিয়ে এই বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প দেশ ও দেশের বাহিরে মানুষের মাঝে পৌঁছে দেয়া।

মালিহা তাবাসসুম

চিহ্ন

পেইন্টিং এর প্রতি ভালোবাসা ছোটবেলা থেকেই। আবার মালা, গহনা পরতেও খুব ভালো লাগে। যেহেতু নিজে স্টুডেন্ট আর টিউশন করেই নিজের খরচ চালাই, সেকারণে সব সময় আকাশছোঁয়া দামের জন্য কেনা হয়ে উঠত না। তখন নিজেই মালা গহনা বানাতাম নিজের জন্য। ক্রাফটের কাজ জানা ছিল টুকটাক আগে থেকেই। আবার পেইন্টিং এর সখ থেকেই আসা এখানে। সিভিলের স্টুডেন্ট হওয়ায় পড়ার চাপ তো থাকেই, তবু এরমাঝ থেকে সময় বের করে নিই। নতুন নতুন ডিজাইন নিয়ে আসতে বা রঙ নিয়ে খেলতে ভালো লাগে। সাড়া পাচ্ছি যথেষ্ট সাথে স্বপ্নও বড় হচ্ছে। ‘চিহ্ন’কে বড় একটা প্লাটফর্ম বানানোর স্বপ্ন দেখি এবং ইচ্ছেও আছে আগামীতে!

নূর আনিকা

এডর্নিকা

স্কুল লাইফ থেকেই ইচ্ছে ছিল ডিজাইনার হওয়ার। তখন থেকেই নিজের জামা, গহনা নিজে টুকটাক ডিজাইন করে পরতাম। নানা কারণে ডিজাইনার হয়ে উঠা হয় নি তবে দমে যাইনি। ভিতরের সুপ্ত ইচ্ছেটাকে প্রকাশ করে কিছু একটা করার ইচ্ছে হলো, শুরুও করে দিলাম। এইতো চলছে। পড়াশোনা শেষ করে এটা নিয়েই সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছে আছে। আমার মা আর বোন আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করে থাকে কাজের ব্যাপারে। ইচ্ছে আছে আগামীতেও তাদের নিয়ে কাজ করার।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: