সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ ৩০২ মেট্টিক টন চাল ও ৩৪ লাখ টাকা

unnamed (17)বড়লেখা প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ ঝড়-তুফান, শিলাবৃষ্টি, ভারী বর্ষণ, বন্যায় বিপর্যস্ত। গত চৈত্রমাস থেকেই হাকালুকি হাওরপারের তালিমপুর, বর্ণি ও সুজানগর ইউনিয়নের অন্তত ৩০ হাজার কৃষক বোরো ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। এরপর অব্যাহত ভারী বর্ষণে ইউনিয়নগুলোও বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। এসব ইউনিয়নে দেখা দেয় স্থায়ী বন্যা। শতাধিক গ্রামের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

গত ৮ এপ্রিল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি সরেজমিনে হাকালুকি হাওরপারের মানুষের দুর্ভোগ দেখে দুর্গত পরিবারপ্রতি নগদ ৫০০ টাকা ও ৩০ কেজি চাল বিতরণে ৩ মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ কর্মসূচির শেষ কিস্তির চাল বিতরণ গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানায়, মন্ত্রীর ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১ হাজার ৮৫০ জন ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২৫২.৫৮ মেট্টিক টন চাল ও ২৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, জিআর কর্মসূচির আওতায় দুর্গতদের মধ্যে ১৫০ মেট্টিক টন চাল ও নগদ ৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ০৪ জুলাই বন্যাদুর্গত ৯টি ইউনিয়নের জন্য ৪৫ মেট্টিক টন জিআর চাল বরাদ্দ পাওয়া যায়।

এদিকে ত্রাণের চাল ও টাকা বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিরুদ্ধে দুর্গত লোকজনের অভিযোগের অন্ত নেই। সুজানগর ইউনিয়নের ভোলারকান্দি গ্রামের মফিজ আলীর স্ত্রী পারভীন বেগম জানান, ঘর-দুয়ার পানিতে ডুবে গেছে। অনেকবার মাসুক মেম্বারের কাছে সাহায্যের জন্য গিয়েছেন। কিন্ত কোনো রিলিফ দেননি। শুধু টিএনও সাহেব একদিন চিড়া-মুড়ি দিয়েছেন। একই গ্রামের মুতলিব মিয়াও ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেন। তালিমপুর ইউনিয়নের হাল্লা গ্রামের দুর্গত জয়নাল মিয়া, মইজ উদ্দিন, আসমা বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ওয়ার্ডের শাহিন মেম্বার আত্মীয়-স্বজন আর যারা তাকে ভোট দিয়েছে তাদেরকেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত গরিব মানুষ ত্রাণ পাচ্ছে না।
এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমিন হোসেন জানান, হাকালুকি হাওরপারের কোনো দুর্গত মানুষ অভুক্ত থাকবে না। গত মঙ্গলবার ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া এমপি হাকালুকির বন্যা পরিস্থিতি দেখে গেছেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তিনি গত ৩ দিন ধরে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করছেন। চাহিদা অনুযায়ী তড়িৎ গতিতে মন্ত্রণালয় ত্রাণের বরাদ্দ দিচ্ছে। দুর্গত এলাকায় গত ০১ জুলাই থেকে বন্ধ থাকা ওএমএস’র চাল বিক্রি শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি গত বৃহস্পতিবার জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভিজিএফ’র চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: