সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় চুক্তি ছাড়া চিকিৎসা পায় না দুর্ঘটনার রোগী : রাজি না হলেই রেফার

01.-daily-sylhet-Barlekha-newsবড়লেখা প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কতিপয় উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার (সেকমো) দুর্ঘটনায় সামান্য কাটা-ছেঁড়া রোগীর চুক্তি ছাড়া সূঁচ ধরেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা চুক্তিতে রাজি হলেই নিয়ে যান প্রাইভেট চেম্বারে, নতুবা সেলাই ছাড়াই রেফার করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। গত বুধবার একই কায়দায় নূর নবী পা কাটা এক রোগীকে সিলেটে রেফার করেন। পরে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের এক ভিজিটর বিনা পয়সায় তার পা সেলাই করে দেয়ায় তাকে আর সিলেট যেতে হয়নি।

সূত্র জানায়, গত ৫ জুলাই সকালে উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের পূর্ব দক্ষিণভাগ গ্রামে মোটর সাইকেল আরোহী রাসেল আহমদ (২৭) উল্টে পড়ে গিয়ে আহত হন। এতে তার ডান পায়ের গোড়ালি কেটে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে আত্মীয় মোস্তফা কামাল ও ইমন আহমদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এরপর জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার (সেকমো) নূর নবী পায়ের রগ কেটে গেছে জানিয়ে সেলাই করতে টাকা দাবি করেন। ৫০০ টাকা দিতে রাজি হলেও তিনি সেলাই করতে অসম্মতি জানিয়ে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রেফার করেন। ভুক্তভোগী রাসেল আহমদ জানান, টাকা দিতে না পারায় জরুরী বিভাগের চিকিৎসক এখানে সেলাই সম্ভব নয় জানিয়ে তাকে সিলেটে রেফার করেন। পরে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের এক ভিজিটর বিনা পয়সায় আমার পা সেলাই করে দেন।

ব্যবসায়ী আব্দুস সহিদ মুক্তা অভিযোগ করেন তার বাড়ির কর্মচারী সুমন দাস মানবের (২০) গত ১১ জুন কোদালে বাম পা কেটে গেলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। জরুরী বিভাগের উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) নূর নবী পা সেলাই করতে ৫ হাজার টাকা দারি করেন। লুকমান জওয়ার লাকি নামের মধ্যস্থ ব্যক্তি ৩ হাজার টাকা বললেও তিনি তাতে রাজি না হয়ে সিলেট ওসমানীতে রেফার করেন। পরে স্থানীয় ফার্মেসির এক ফার্মাসিস্ট তার পা সেলাই করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার নূর নবী রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কেউ প্রমাণ দিলে যে কোনো শাস্তি মাথা পেতে নেবো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আহম্মদ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: