সর্বশেষ আপডেট : ৩০ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে ২০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা

dslt-2মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারে গত দুইদিনে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার ২০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে পানির কারণে। রমজানে দীর্ঘ ছুটির পর গত ১ জুলাই থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু হলেও বন্যাকবলিত এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৬০ হাজার ছাত্রছাত্রী। গত বৃহস্পতিবারের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা বন্যা উপদ্রত এলাকার ৪৮টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়নি। বিগত কয়েক মাসের স্থায়ী বন্যায় দিন দিন বাড়ছে জনদুর্ভোগ। স্বল্পআয়ের মানুষের মধ্যে তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই দুর্গত মানুষের দিন কাটছে। দুর্গত এলাকার মানুষজনের অভিযোগ, বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ ও রোগ বালাই দমনে সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনো তৎপরতা নেই।

বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় নিমজ্জিত একাধিক গ্রামীণ কাঁচা ও পাকা রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হচ্ছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম বির্পযয় ঘটছে। জেলার কোনো কোনো এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার বড়লেখার ৩টি, জুড়ী উপজেলার ৬টি, কুলাউড়া উপজেলার ৭টি, রাজনগর উপজেলার ৪টি, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৪টিসহ এই ৫ট উপজেলার মোট ২৪টি ইউনিয়নের ৫ লক্ষাধিক মানুষ এখনও পানিবন্দী রয়েছে। জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী এর সংখ্যা আরও কম।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আলিম গত বুধবার রাজনগর উপজেলার বন্যায় নিমজ্জিত বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার ৪, কুলাউড়ার ৪৪, বড়লেখার ৭০, জুড়ীর ২০, রাজনগরের ১৪টিসহ মোট ১৫২টি বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ হাজার ছাত্রছাত্রী ক্লাস করতে পারছে না। তারা লেখাপড়া থেকে সাময়িকভাবে বঞ্চিত হচ্ছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো: আব্দুল ওয়াদুদ জানান, জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানের পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়ার কারণে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এই ৪৮টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ হাজার ছাত্রছাত্রী গত ০৬ জুলাইয়ের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। তবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রশ্নপত্র প্রণয়ণের কারণে পৃথক সময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরীক্ষা গ্রহণে কোনো ধরণের অসুবিধা হবে না। পানিবন্দী লোকজনের মধ্যে বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের প্রার্দুভাবও।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: