সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাকালুকির বন্যাদুর্গতদের জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের আশ্বাস আহমদ হোসেনের

unnamed (16)মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরতীরের বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। গত রোববার সরেজমিন পরিদর্শন করে পানিবন্দী লক্ষাধিক মানুষের জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছেন তারা। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাকালুকি হাওরপারের তিন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় রোরবার সরেজমিনে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সদস্য রেমন্ড আরেং, অধ্যাপক রফিকুর রহমান, সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনসহ আ’লীগ নেতারা বন্যাদুর্গত ১০৭৮ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন এবং বন্যার ভয়াবহ অবস্থা স্বচক্ষে অবলোকন করেন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা হাওরপারের বন্যাকবলিত লাখ লাখ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র স্বচক্ষে দেখে ৩ উপজেলার জন্য সরকারের তরফ থেকে ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া নগদ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জিআর বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
এদিকে মৌলভীবাজার জেলায় তৃতীয় দফা বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে। গত ২দিন উজানে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এখনও জেলা সদরের সাথে বড়লেখা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলায় মোট ১৮৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত খোলা হয়েছে ২৯টি বন্যাকবলিত মানুষের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র।
অপরদিকে হাকালুকি হাওরপারের হাজার হাজার দুর্গত মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে। ঘরে রনই খাবার, নেই থাকার জায়গা। ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করেই তারা পানির ওপর মানবেতর জীবন-যাপন করছে। নৌকা দেখলেই ঘরের ভেতরে হাটু ও কোমর পানি ডিঙিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশুরা। এই বুঝি কেউ ত্রাণ নিয়ে আসছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় সরকারি ও বেসরকারি ত্রাণ অপ্রতুল হওয়ায় মলিন মুখে খালি হাতেই ঘরে ফিরছেন তারা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম জানান, জেলায় সর্বশেষ ২৯৪ মেট্রিক টন জিআর চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ৫৯ হাজার ২০০ ভিজিএফ কার্ডের অনুকূলে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ৩ ধাপে ৬৫০ মেট্রিক টন চাল, ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছাড়াও ৩ মাসের জন্য ৫ হাজার ভিজিএফ কার্ডের অনুকূলে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল ওনগদ ৫০০ টাকা করে দেয়া হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: