সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মেক্সিকোয় ‘খুলি’র মন্দিরের খোঁজ

Lorena Vazquez, an archaeologist from the National Institute of Anthropology and History (INAH), works at a site where more than 650 skulls caked in lime and thousands of fragments were found in the cylindrical edifice near Templo Mayor, one of the main temples in the Aztec capital Tenochtitlan, which later became Mexico City, Mexico June 30, 2017. REUTERS/Henry Romero

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মেক্সিকোর অন্যতম প্রধান মন্দির ‘টেম্পলো মেয়র’। প্রাচীন এ মন্দিরের একটি মিনারের ধ্বংসাবশেষ খুঁড়তেই মিললো শতশত নরমুণ্ডের খুলি। জানা গেছে, এ পর্যন্ত খননে সেখানে অন্তত ৬৭৫ টি নারী ও শিশুর মাথার খুলি পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস, খনন যত এগোবে, মিলবে আরও খুলি।

দেড় বছর ধরে খননের খননের ফলে প্রাচীন আজটেক সভ্যতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। তারা জানিয়েছেন, এই খুলির মিনারটি ‘হুয়ে জোম্পান্তলি’র (হাড়ের সারি) অংশ। আজটেক রাজধানী ‘টেনোকটিটলান’ এর (যা কালে কালে হয়ে উঠবে মেক্সিকো সিটি) অন্যতম প্রধান মন্দির ‘টেম্পলো মেয়র।’
এই শহর জয়ের পরে ‘হুয়ে জোম্পান্তলি’ দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন স্পেনীয় শাসকরা (কনকিস্তাদোর)। তাদের লেখাতেও এই খুলির মিনারের উল্লেখ আছে। ১৫২১ সালে মেক্সিকো জয়ের পরে আন্দ্রে দে টাপিয়া নামে এক স্পেনীয় যোদ্ধা এই মিনারটির কথা জানিয়েছিলেন।
প্রত্নতত্ত্ববিদ রাউল বারেরা বলেন, টাপিয়া লিখেছিলেন এমন হাজার হাজার খুলি রয়েছে ওই এলাকায়। আজটেক এবং মেসোআমেরিকান জনতা সূর্যদেবকে উৎসর্গ করতে মানুষ বলি দিত। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা ছিল, আজটেকের বিভিন্ন উপজাতির মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বে যারা প্রাণ হারাতেন, সেই সব পুরুষ যোদ্ধাদের বলি দিয়ে খুলি এই ভাবে জমা রাখা হয়। বস্তুত ঐতিহাসিকরাও বলেন, স্পেনের শাসনের আগে মেসোআমেরিকান সংস্কৃতিতে হেরে যাওয়া যোদ্ধাদের মাথা কেটে জোম্পান্তলিতে রাখা হতো।
তবে নৃতত্ত্ববিজ্ঞানী রডরিগো বোলানোস বলছেন, ‘আমরা তো ধরেই নিয়েছিলাম ওগুলো শুধু পুরুষের খুলি। লড়াকু যুবকদের। কিন্তু ওই সময়ে মহিলা বা শিশুদের তো যুদ্ধে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। এটা সত্যি নতুন ব্যাপার। এর কোনো রেকর্ডও নেই আমাদের কাছে।’
রাউল আরো বলছেন, জোম্পান্তলিতে সাধারণের দর্শনের জন্য রাখার পরে ওই খুলিগুলো মিনারে নিয়ে যাওয়া হতো। এই মিনারের কাছেই হুইৎজিলোপোচিটলি (আজটেক সভ্যতায় সূর্য, যুদ্ধ এবং বলির দেবতা) চ্যাপেল। মিনারটির নীচের দিকে এখনও খনন শুরু হয়নি। রয়টার্স।
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: