সর্বশেষ আপডেট : ১৫ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুলাউড়ায় আশ্রয় কেন্দ্রে বাড়ছে বন্যাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা

1. daily sylhet 0-24মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। ঈদের আগের দিন ২৫ জুন থেকে ফের অবনতি শুরু হয়। বর্তমানে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে বানভাসী মানুষের সংখ্যা।
উপজেলার ভুকশিমইল ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির জানান, গত ২৪ জুন থেকে ফের ভারী বর্ষণের ফলে আর সীমান্তের ওপার থেকে আসা ঢলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। ইউনিয়নের সাদীপুর, মহেষগৌরি, মদনগৌরি, কাইরচাক, কাড়েরা, জাব্দা ও শশারকান্দি এলাকার ৮০ ভাগ মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়া। হাওর এলাকায় গত ৩ মাস থেকে গবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন মানুষজন। গোখাদ্য সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

ব্রাহ্মণবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মমদুদ হোসেন জানান, এ ইউনিয়নের ২টি আশ্রয় কেন্দ্রের একটি জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ছিলো ১৫টি পরিবার গত বৃহস্পতিবার আরও ২টি পরিবার নতুন এসেছে। আর শ্রীপুর মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১২টি পরিবার ছিলো বেড়েছে ৩টি পরিবার। ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণবাজার, পূর্বগুড়াভুই, কানুপট্টি, ১নং ওয়ার্ডের শ্রীপুর ও লামাপাড়া, ৩নং ওয়ার্ডের নাছনী এবং ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর হিঙ্গাজিয়া গ্রাম বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অজিজুর রহমান ও কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরল ইসলাম বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করেছেন।

কাদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ছালাম জানান, উচাইল হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে ১৪টি ও ছকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে আশ্রিতের সংখ্যা আরও বাড়বে। এছাড়া বরমচাল ইউনিয়নের রাউৎগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে ১০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাছাড়া জয়চ-ী ইউনিয়নে কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেললাইনে আরও ৭টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

unnamed (4)কুলাউড়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দেখিয়ারপুর ও ১নং ওয়ার্ডের সোনাপুর, বিহালা ও আহমদাবাদ এলাকায় বন্যায় ৭০ ভাগ মানুষের ঘরে বন্যার পানি। তাছাড়া এসব এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুলগুলোও বন্যাকবলিত। গতকাল শনিবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও বন্যাকবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মো: গোলাম রাব্বি জানান, গত ২২ জুন বন্যার্ত মানুষের জন্য ৪৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া যায়। এগুলো গত ২৯ জুন থেকে বিতরণ চলছে। বর্তমানে ৫টি আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়া কুলাউড়া ইয়াকুব তাজুল মহিলা কলেজ ও রাবেয়া আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ২টি নতুন আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: