সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গিদের বিরুদ্ধে প্রথম যেভাবে প্রতিরোধ করা হয়

1498889092নিউজ ডেস্ক:: প্রথম পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে হলি আর্টিজানের সামনে গিয়ে উপস্থিত হন গুলশান থানার এসআই ফারুক হোসেন। সেদিন নাইট ডিউটি ছিল তার। রাত ৮ টার পর তিনি ডিউটি শুরু করেন। ‘কিলো ৮১’ কল সাইন হিসেবে পেট্রোলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এই দলের দায়িত্ব হলো জরুরি প্রয়োজনে ‘মুভ’ করার। চারজনের ফোর্স নিয়ে এসআই ফারুক অবস্থান করছিলেন গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনের পেছনে। এমন সময় গুলশানের এসি রফিকুল ইসলাম ওয়্যারলেস সেটে হলি আর্টিজানে কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে বলছিলেন। যে পুলিশ কর্মকর্তা ওই এলাকায় ডিউটিতে ছিলেন তিনি ওয়্যারলেসে সাড়া দিতে পারেননি। একটু পরেই ওয়্যারলেস সেটে গুলশানের ওসির নির্দেশনা পেয়ে রফিকুল ইসলাম টিম নিয়ে গাড়িতে করে রওনা দেন গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডে।

নুরুজ্জামান লাবুর লেখা ‘হলি আর্টিজান’ বইয়ে ঐ দিন এসআই ফারুক হোসেনের নেয়া একটি সাক্ষাত্কার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাত্কারে এসআই ফারুক বলেন, গাড়িতেই তারা বুলেট প্রুফ হেলমেট ও লেগগার্ড পরে নেন। ৭৯ নম্বর রোডে লেকভিউ ক্লিনিকের সামনে আসতেই গেটের বাইরে রাস্তায় একটি লোক রক্তাক্ত অবস্থায় আড়াআড়িভাবে পড়ে আছেন। গাড়ি থামিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এরই মধ্যে আহত ব্যক্তি তাকে বলেন, ‘স্যার আমি জাপানি নাগরিকের গাড়ির ড্রাইভার। ভেতরে কে বা কারা গুলি করে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করছে। লোকজনকে গুলি করে মারতেছে। আমি দৌড়াইয়া আসছি। আর যাইতে পারছি না। আমাকে বাঁচান স্যার।’ আহত ঐ ব্যক্তির নাম আব্দুর রাজ্জাক রানা।

ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমরা যখন ঐ লোকটাকে উদ্ধার করছি, এমন সময় দেখি ৪-৫টা ছেলে গেট দিয়ে দৌড়ে আসছে। তাদের প্রত্যেকের হাতে আর্মস। ব্যাগ আছে দুজনের হাতে। লম্বা যে ছেলেটি ছিল পরে জেনেছি ওর নাম নিবরাস। ও একটা গ্রেনেড বের করে পিন খুলছে। এই দৃশ্য দেখার পর আমি চিত্কার করলাম, সরে যাও। বলেই শুয়ে পড়লাম। এর আগে ফোর্সদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম। কিন্তু ওরা বুঝতে পারেনি। আমি ক্রলিং করে উত্তর দিকের ভবনের কাছে চলে গেলাম। যেতে যেতেই গ্রেনেড বিস্ফোরিত হলো। আমার ফোর্সের চারজনের মধ্যে দুজন আহত হলো। এরা হলো কনস্টেবল প্রদীপ ও আলমগীর। ঘটনাস্থলে ডিসি গুলশান মোস্তাক আহমেদ ও এডিসি আব্দুল আহাদ আসেন। এরপর একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে থাকেন পুলিশের সোয়াত টিম, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: