সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঈদে মুখরিত টাংগুয়ার হাওর, বারেকটিলা, ট্যাকেরঘাট ও যাদুকাটা নদী

tanguar-haorজাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ ::
সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার পর্যটন সমৃদ্ধ স্থান গুলোতে পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের পদচারণায় মুখরীত। সারা বছরেই এই পর্যটন স্পট গুলো দেশ-বিদেশের সুন্দর্য পিপাসুদের সাথে সাথে স্থানীয় সকল বয়সের জনসাধরণের উপচে পড়া ভীড় থাকে। দৃষ্টি নন্দন এই স্থানগুলো পর্যটকের মিলন মেলায় পরিণত হয়। কেউ মোটরসাইকেলে, কেউ স্পীড বোডে আবার কেউ ইঞ্জিন চালিত নৌকায় দলবেধে এসব স্থানে বেড়াতে আসেন। তাহিরপুর উপজেলায় রয়েছে-মাদার ফিসারিজ খ্যাত টাংগুয়ার হাওর। বাংলাদেশের বুকে এক উজ্জল নক্ষত্রের নাম টাংগুয়ার হাওর, সীমান্ত ঘের্ষা ৩ শত ফুট উচ্চতার বারেক টিলা, উপজাতিদের মন্দির, মেঘালয় পাহাড়ের জলপ্রপাত, শাহ আরফিন (রা) আস্তানা, সনাতন হিন্দু-ধর্মাবলাম্বীদের পনর্তীথ স্থান, উঁচু নিচু পাহাড়ের সারি, গণ-সবুজের সমারোহ, ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনিজ প্রকল্প, সীমান্ত লেক, ৩টি শুল্ক ষ্টেশন (চারাগাঁও, বড়ছড়া, বাগলী), মুক্তিযোদ্ধের সৃত্মি চিহ্ন, ছোট বড় ২০টি ভারতের মেঘালয়ের বুক চিড়ে নেমে আসা পাহাড়ী ছড়া, রাজা উইক্লিবস-এর বাড়ি, আওলী জমিদার বাড়ি, পাহাড়ী যাদুকাটা নদী, ঝর্ণা, মেঘ, বৃষ্টি, উপজাতি ও বাংলাদেশীদের একত্রে বসবাসের এক মিলন মেলা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মনোরম পরিবেশ বিরাজ করছে সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলায়। যা পর্যটকদেরকে নয়ানাবিরাম, নৈসগির্ঘ প্রাকৃতিক সৌন্দযের্র মুগ্ধ করে বার বার কাছে টানছে। টাংগুয়ার হাওরের একটি প্রবাদ আছে-নয় কুড়ি বিল, ছয় কুড়ি কান্দার সমন্বয়ে গঠিত শত বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই টাংগুয়ার হাওরে নানান প্রজাতির বনজ ও জলজ প্রাণি এ হাওরের সৌন্দর্যকে আরো দর্শনীয় করেছে।

বর্ষায় টাংগুয়ার হাওর এক বিশাল সমুদ্রের রুপ ধারন করে আর শীতের সময় টাংগুয়ার হাওর কে আরো আকর্শনীয় করে তুলে। তাই বছরের দুটি ঈদ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় পর্যটক ও দর্শনার্থীদের আগমন বেশি লক্ষ্যনীয় তাই এবারও তার ব্যাতিক্রম হয় নি। শিশু থেকে শুরু করে মধ্য বয়সী হাজার হাজার মানুষের এক মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে টাংগুয়ার হাওর, বারেকটিলা, ট্যাকেরঘাট, সীমান্ত লেক, যাদুকাটা নদী, শিমুল বাগান সহ দর্শনীয় স্থান গুলোতে।

এবার হাওর পাড়ে একমাত্র বোরো ধান অকাল বন্যায় পানিতে তুলয়ে যাওয়ায় ঈদের আনন্দ নেই। তবুও হাওর পাড়ের সংগ্রামী, পরিশ্রমী মানুষ গুলো একটু আনন্দ খুজাঁর চেষ্টায় অনেকেই বেড়িয়ে পড়েছে নিজের এলাকায় কম খরছে সীমান্ত এলাকার ঐসব দর্শনীয় স্থান গুলো দেখে একটু প্রশান্তি আর আনন্দের খুঁজে।

দর্শনীয় স্থান গুলোতে আসা শিক্ষার্থী সৌরভ দাস, নাজির হোসেন, নাইম,মেহেদী হাসান ভুঁইয়া (জনমেজর) সহ অনেকেই জানান, এবার হাওরের বোরো ধান অকাল বন্যায় পানিতে ডুবে ক্ষতির কারনে হাওর পাড়ে ঈদের আনন্দ না থাকলেও এ উপজেলার পর্যটন সমৃদ্ধ ও দৃষ্টি নন্দন স্থান গুলো ঈদ উপলক্ষে দেখতে ভুলে যায় নি পর্যটক ও সুন্দর্য পিপাসুগন। এখানে এসে অনেকেই কষ্টের মাঝে একটু মনের আনন্দের খোঁজ পেয়েছে। তাই হাজার হাজার মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে ঐসব স্পটগুলো।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: