সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুলাউড়ার চা-শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

28junenewspic011বিশেষ প্রতিনিধি ::
কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের দিলদারপুর চা-বাগানে অনিল চাষা (৫০) নামক এক চা-শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি বাগানের পাথর টিলা এলাকার অনন্ত চাষার ছেলে। ২২ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে অনিল চাষা ও তার ভাই সুনিল চাষার উপর হামলা করা হয়। প্রায় চার দিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ২৬ জুন সোমবার সকালে অনিল চাষা মারা যান। এ নিয়ে গোটা বাগান এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সুরতহাল রিপোর্টের জন্য সোমবার দুপুরে লাশ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ।

অনিল চাষার ছোট ভাই সুনিল চাষা জানান, ২২ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গরু বিক্রির পাওনা টাকা আনতে তারা দুই ভাই (বাগান শ্রমিক সভাপতি) বিকাশ চাষার ঘরে যান। সভাপতি বিকাশ চাষা সম্পর্কে তাদের বোন জামাই। এসময় টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে বিকাশ চাষা, তার ছেলে বিক্রম চাষা, সমির চাষা, বিবেক চাষা এবং ভাই রাজু চাষা লাঠি, কুন্তি ও পাথর দিয়ে তাদেরকে মারপিট শুরু করে। তারা দু’ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় আর্তচিৎকার শুরু করলে আশপাশের শ্রমিকরা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে বাগানের নিজস্ব হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতাল কম্পাউন্ডার তাদেরকে কুলাউড়া হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

কুলাউড়া হাসপাতালে সুনিল চাষাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনিল চাষাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার। কিন্তু টাকা-পয়সা না থাকার কারনে ওসমানীতে না গিয়ে কিছু ঔষুধ কিনে বাগানে ফিরে যায় তারা। এ অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মারা যান অনিল চাষা।
এ ব্যাপারে অনিল চাষার ভাই শিবু চাষা বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সোমবার রাতে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাজিব চন্দ্র জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় লাশের গায়ে লোলা, ছেছা, কাটাসহ একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। অনিল চাষার ভাই শিবু চাষা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

এ ব্যাপারে দিলদারপুর চা বাগানের সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, মারামারির বিষয়টি তাদের পারিবারিক ছিল, তাই তারা বাগান ম্যানেজমেন্টকে এ ব্যাপারে কিছু শুনায়নি, এমনকি রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট প্রেরণের বিষয়টিও তারা আমাদেরকে জানায়নি। তবে যারা প্রকৃত অপরাধী তাদের শাস্তি হউক এটা আমরাও চাই।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: