সর্বশেষ আপডেট : ২৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বেতন-বোনাস হয়নি ২০ ভাগ গার্মেন্টসে

FILE - In this Saturday, Dec. 8, 2012 file photo, Bangladeshi garment workers produce clothing at a factory on the outskirts of Dhaka, Bangladesh. As Bangladesh reels from the deaths of hundreds of garment workers in a building that collapsed Wednesday, April 24, 2013, the refusal of global retailers to pay for strict nationwide factory inspections is bringing renewed scrutiny to an industry that has profited from a country notorious for its hazardous workplaces and subsistence level wages. After the Tazreen factory fire killed 112 garment workers in November 2012, clothing brands and retailers continued to reject a union-sponsored proposal to improve safety throughout Bangladesh’s $20 billion garment industry. (AP Photo/A.M. Ahad, File)

নিউজ ডেস্ক:: ঈদের আগে শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় ২০ শতাংশ গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়া হয় নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করার কথা থাকলেও গতকাল ২৭ রোজা শেষেও অনেক কারখানায় বোনাস দেয়া হয়নি। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ২৭ রোজা শেষ হলেও ১০ শতাংশ কারখানা এখনো ঈদ বোনাস দেয় নি। ডিআইএফই প্রায় চার হাজার কারখানার তথ্য তদারক করছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমই’র বাইরেও একটি বড় সংখ্যক কারখানা রয়েছে। বেতন-বোনাসের সমস্যার বেশিরভাগই মূলত এ দুটি সংগঠনের সদস্যবহির্ভুত কারখানায়।

এদিকে, শিল্পাঞ্চল পুলিশ জানিয়েছে, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়া এলাকার প্রায় ১১শ’ কারখানার মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ কারখানা বেতনের অর্থ পরিশোধ করেনি। ঢাকা জেলা শিল্পাঞ্চল পুলিশের এসপি শামীমুর রহমান গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে বলেন, প্রায় ৮০ শতাংশ কারখানা বেতন-বোনাস দিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেক কারখানা ইতিমধ্যে ছুটি ঘোষণা করেছে। বাদবাকীগুলো হয়তো আজ শনিবারের মধ্যে দিয়ে দিতে পারবে। আশুলিয়া এলাকায় বড় ধরণের কোন শ্রম অসন্তোষ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, দুই একটি কারখানায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে বেতন-ভাতার বিষয়টি বিশেষভাবে নজরদারি করছে বিজিএমইএ। সংগঠনের সদস্যভুক্ত প্রায় আড়াই হাজার কারখানার বেতন-বোনাসের বিষয়টি সংগঠনের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল দেখভাল করছে। বিজিএমইএ সূত্র জানিয়েছে, এ সেল ১ হাজার ৬৬টি কারখানা বিশেষভাবে নজরদারি করছে। এর মধ্যে ৯৮ শতাংশ কারখানাই বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে। আজ শনিবার নাগাদ সদস্যভুক্ত সব কারখানাই বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে পারবে। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ছুটির আগেই বেতন দেওয়া হলে শ্রমিকরা বেতন নিয়ে আর কাজ করতে আসে না। ফলে কারখানাগুলো সমস্যায় পড়ে যায়। এ সমস্যা এড়াতে অনেকে শেষ কর্মদিবসে বেতন-বোনাস পরিশোধ করে।

অবশ্য চলতি জুন মাসের ১৫ দিনের বেতন পরিশোধ করার বিষয়ে মালিকপক্ষের সিদ্ধান্ত থাকলেও কোন কোন মালিক তা মানছেন না বলে জানা গেছে। এ নিয়ে গতকাল রাজধানীর খিলক্ষেতে একটি কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: