সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১১ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যানদের অভিযোগ

unnamed (14)বিশেষ প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আছকির খানের বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী, স্বৈরাচারী, অগণতান্ত্রিক সেচ্ছাচারিতা ও বিভিন্ন অনিয়েমের ফিরিস্তি দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানরা। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বিরুধী কার্যক্রমেরও অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

১৯ জুন সোমবার বিকালে রাজনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যানরা বিভিন্ন অভিযোগ আনেন তার বিরোদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফতেহপুর ইউপি চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাস, মুন্সিবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ছালেক মিয়া, পাঁচগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন নূর আজাদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ সালেক, টেংরার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিপন মিয়া, কামারচাক ইউপি চেয়াম্যান নজমুল হক সেলিম, ও মনসুরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত স্বাক্ষর করেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনসুরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত। এছাড়াও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার সজল চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্য থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত মোঃ আছকির খান ২০১৪ সালের মার্চে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করছেন। টিআর/কাবিখা বরাদ্দের শতকরা ২০ ভাগ তিনি ইচ্ছামতো বন্টণ করেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে তাকে প্রকল্প না দিলে তিনি ফাইল আটকে রাখেন। ৭১ সালে পাঁচগাওয়ের পাকিস্থানিদের হামলায় নিহতদের গণকবর সংরক্ষণের জন্য উপজেলার পরিষদের পক্ষ থেকে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। কিন্তু স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বিরোধী তার মনোভাব ও অনিয়মের করণে এ প্রকল্প আটকে দেন। এছাড়াও গত বছরের ২১ ডিসেম্বরের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় কামারচাক ইউনিয়নের যুদ্ধাপরাধী আব্দুল মছব্বিরের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরুধ করেন। কিন্তু তিনিই ১০ জুন ওই যুদ্ধাপরাধির ছেলের শাড়ী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সরকার ও আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। এডিপি প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগে তিনি গুরুতর অনিয়ম করেছেন। নির্ধারিত ঠিকাদারের কারণে এবছরের এডিপির কাজে লেস/এবাবে কাজ করা হয়নি। ফলে পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ হয়েছে। বিগত অর্থবছরে ২০ লাখ টাকা ব্যায়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয় সংস্কার করা হয়। কিন্তু তিনি ওই অফিস ব্যবহার না করে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের বিনোদন কেন্দ্র দখল করে ব্যাহার করছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: