সর্বশেষ আপডেট : ৯ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাতকে গুলিতে আহত কেয়ারটেকারের মামলা নিয়ে ধুম্রজাল

01.-daily-sylhet-Chhatak-news2ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকের কাইতকোনায় প্রবাসীর কেয়ারটেকারকে গুলি করে আহত করার ঘটনায় দায়েরী মামলা নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যমুলকভাবে গ্রামের গন্যমান্যদের আসামী করায় বাদীর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে গ্রামের লোকজন। গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করতে গ্রামের এক প্রবাসী তার পোষ্য কেয়ারটেকার কমরু মিয়াকে দিয়ে বার-বার গ্রামের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ। পরিকল্পিতভাবে ঘটনা সাজিয়ে গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা করে কমরু মিয়া পড়েছেন গ্রামবাসীর তোপের মুখে। মিথ্যা মামলা ও প্রবাসীর ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পেতে কাইতকোনা গ্রামের লোকজন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গত ৮ মে জাউয়াবাজার ইউনিয়নের কাইতকোনা গ্রামে রাস্তায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয় গ্রামের লন্ডন প্রবাসী আজাদ মিয়ার কেয়ারটেকার ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র কমরু মিয়া। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর কমরু মিয়া নিজে বাদী হয়ে ছাতক থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা(নং-১৭) দায়ের করেন।

গ্রামবাসীর অভিযোগ গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করতে গ্রামের এক প্রবাসী কমরু মিয়াকে মামলার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। একেকটি ঘটনা সৃজন করে গ্রামের নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। ইউপি সদস্য এসএম মাহমুদ জানান, ৮মে রাতের ঘটনা একটি সাজানো বিষয়। মামলার বাদী এজাহারে তার ডান পায়ের উরুতে ৪০ থেকে ৫০টি বুলেট বিদ্ধ হয়েছে বলে উলে¬খ করেছে।

কিন্তু বুলেটে তার উরু ক্ষত-বিক্ষত হলেও তার পরনে থাকা লুঙ্গিটি ছিল অক্ষত। এসব বিষয়েই প্রমানিত হয় ঘটনাটি সাজানো ও পরিকল্পিত। এর আগে ২০১৬সালে ৮ আগষ্ট টাকা ছিনতাই’র অভিযোগে কমরু মিয়া গ্রামের গন্যমান্যদের জড়িয়ে আদালতে মামলা করেছিল। এ মামলাটি আদালতের নির্দেশে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে প্রেরন করা হয়েছে।

কাইতকোনা গ্রামের সাবেক মেম্বার তোফায়েল আহমদ তালুকদার জানান, প্রবাসীর পোষ্য মামলাবাজ কমরু মিয়ার দায়েরী একের পর এক মিথ্যা মামলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গ্রামবাসী। প্রবাসী তার ভাড়াটে লোক দিয়ে ঘটনা ঘটিয়ে গ্রামবাসীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানী করছে। এসব অবৈধ অস্ত্র ও অস্ত্রবাজদের খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবী জানান তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদ হোসেন জানান, হামলা ও গুলির ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ন সাজানো। মামলাটিও হয়রানীমুলক। এর আগেও কমরু মিয়া সুনামগঞ্জ আদালতে আরো একটি মামলা দায়ের করেছিল। বর্তমানে এ মামলাটি তার পরিষদে ন্যস্ত করা হয়ছে। উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল এ ব্যাপারে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, উরুতে ৫০টি বুলেটের আঘাত নিয়ে বাদী এখনো বেঁচে আছেন বা দেহ থেকে পা বিচ্ছিন্ন হয়নি। মিথ্যাচার করারও একটি সীমা রয়েছে। এলাকার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও ভাড়াটে অস্ত্রবাজদের খুঁজে বের করা জরুরী। এর জন্য গোয়েন্দা তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলেছেন বলেও জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: