সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নবীগঞ্জে ঈদের কেনাকাটা শুরু : বাজার মাতাচ্ছে বাহুবলি,কাটাপ্পা

unnamed (10)হবিগঞ্জ সংবাদদাতা:: পবিত্র রমজান মাস শেষের দিকে সময় যত গড়াচ্ছে ঈদুল ফিতর ততই নিকটে আসছে । আর মাত্র ১১দিন এর পরেই মুসলিম ধর্মলম্বীদের দুটি উৎসবের অন্যতম উৎসব ঈদুল-ফিতর। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঈদের কেনাকাটা । হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পোশাকের দোকান এর পাশাপাশি জুতার দোকান. গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড় সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে । রোজার মধ্যভাগেই পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদেও ভিড় চোখে পড়ার মতো। ঈদের কেনাকাটার জন্য ছুটির দিনকে বেচে নিয়েছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চাকরিজীবী মানুষ। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনদের উপহারের জন্য কেনাকাটা করছেন।

পোশাক বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিন ধরে বেচা-বিক্রি ভালো হচ্ছে সময় গড়ানোর সাথে সাথে ক্রেতা আরোও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি। এখন স্কুলগুলোতে ছুটি হচ্ছে, বিভিন্নস্থানে উপহার পাঠানো, গ্রামে আত্মীয়স্বজনদের জন্য পোশাক কেনাসহ ঝামেলা পোহাতে একটু আগেভাগে ক্রেতারা কেনাকাটা শুরু করেছেন। গতবারের মতো এবার কোনো অস্থিরতা নেই । তাই শুরু থেকে ক্রেতারা মার্কেট আসছেন । রমজানের শেষ ভাগেই নবীগঞ্জের মার্কেট গুলোতে শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। এবার আগে থেকে কেনাকাটা শুরু হওয়ায় মার্কেট বা বিপণী বিতানগুলোতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ক্রেতাদেও উপচে পড়া ভীড়। সেই সাথে এবার বাজারে নতুন নতুন পোষাক ক্রেতাদের মন কাড়ছে। এছাড়াও অভিযাত মার্কেটের পাশাপাশি নবীগঞ্জ শহরের ফুটপাতগুলোতেও কেনা কাটার ধুম লক্ষ করা গেছে। সকাল ৮টার পর থেকে কেনাকাটা শুরু হচ্ছে চলছে রাত ৯-১০টা পর্যন্ত।

তবে এবার বাজারে অন্যান্য পোশাকের চেয়ে বাহুবলি-২, কাটাপ্পার চাহিদা-বেশি। মুসলিম ধর্মলম্বীদের দুটি উৎসবের মধ্যে ঈদুল ফিতর অন্যতম। এই ঈদকে ঘিরে সবার কিছু না কিছুর পোষাক কেনার আশা করে থাকে। নতুন পোষাক পরে বন্ধু বান্ধবীদের সাথে সাথে ঘুরতে যাওয়া। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরকে প্রধান উৎসবের দিন বলা হয়। এর ফলে ঈদের আগে কেনাকাটার বাড়তি আয়োজন। যার ফলে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সকলেই কেনাকাটা করে থাকেন। ঈদের পোশাক কিনতে বাজারের স্ত্রী,সন্তানকে নিয়ে এসছেন মিজানুর রহমান তিনি জানান, বর্তমানে অবস্থা ভালো ঝামেলা কম তাই রোজার মাসেই ঈদের বাজার করে নিচ্ছি । নবীগঞ্জ শহর ঘুরে দেখা গেছে, শহরের অবস্থিত শেরপুর রোডে অবস্থিত রাজা কমপ্লেক্স, মধ্যবাজারে গোল্ডেন প্লাজা,জি এম প্লাজা, নূরানী মার্কেট, মরিয়ম মার্কেট,নবীগঞ্জ প্লাজা,সহ বিভিন্ন মার্কেটে চলছে বেচাকেনা । সব দোকানগুলোতে চলছে কেনা কাটার ধুম। ছোটবড় সকল বয়সের মানুষ ঘুরছে মার্কেটগুলোতে তাদের পছন্দের সব পোষাক কিনতে। আবার অনেকে নতুন পোষাকের খোঁজে প্রতিদিন ঘুরছে অভিযাত দোকানগুলোতে ।
দোকানদাররা জানান, গতবারের চেয়ে এবার রোজার প্রথম থেকে ক্রেতাদের কেনাকাটা শুরু করেছেন। তবে আর কিছু দিনের মধ্যে কেনাকাটা আরো জমে উঠবে বলে মনে করছেন দোকানদাররা। এবারের অনেক নতুন পোষাক এসেছে বাজারে তার মধ্যে মধ্যে বাহুবলী, কাটাপ্পা, জর্জেট, লোন’র থ্রি পিসসহ আরও বিভিন্ন ধরনে থ্রি পিস। এবার বাহুবোলী, কাটাপ্পা বিক্রি হচ্ছে বেশি। মানবাধিকার কর্মী তাজুল ইসলাম জানান, আগেভাগে ঝামেলা কম থাকতে ঈদের কেনাকাটা শেষ করছি খুব ভালো লাগছে তবে দামটা একটু বেশি মনে হচ্ছে । প্রতিটি দোকানগুলোতে মিলছে বাহুবলী, কাটাপ্পা বিভিন্ন ধরনের পোষাক। বাহুবালী-২ বিক্রি হচ্ছে ২হাজার থেকে ৩৪শ’কাটাপ্পা ১৫শ’ থেকে ৩৬শ’, সুলতান ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার, লোন বিক্রি হচ্ছে ১১শত থেকে ২ হাজার, জর্জেট ১৫শ’ থেকে ৩হাজার, শুতি কাপড়ের থ্রি পিস ১ হাজার থেকে ২ হাজার। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পোষাক বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা জানান, যতদিন যাচ্ছে ততই সব কাপড়ের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বারের চেয়ে এবার সবকিছুর দামটা বিশি বলে জানান তারা। এছাড়াও ছেলেদের বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের পাঞ্জাবি, টি শার্ট, জিন্স প্যান্ট, গেঞ্জি, বিভিন্ন ধরনের ফাতুয়া, গ্যাবাডি প্যান্ট ইত্যাদি । এইবার আগের বছরের তুলনায় লাভবান হবেন বলে আশা বিক্রেতাদের ।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: