সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জমে উঠছে গোলাপগঞ্জের ঈদ বাজার

unnamed (9)জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ:: ঈদের প্রধান আকর্ষণ নতুন পোশাক। তাই রোজার শুরু থেকেই গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন কাপড়ের মার্কেটগুলোতে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদের। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে থেকেই ঈদ বাজার শুরু হয়ে গেছে। পরে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ এড়াতে এবার আগেভাগেই কেনাকাটা শুরু করেছেন ক্রেতারা।

সোমবার সকালে পৌর সদরের এ ওয়াহাব প্লাজা, আল মারওয়া, মার্ভেলাস টাওয়ারসহ কয়েকটি বিপণিবিতানে গিয়ে দেখা যায়, নানা ডিজাইনের নতুন নতুন ঈদ পোশাকে ক্রেতা আকর্ষণের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে দোকানগুলোতে। কেনাকাটা শুরু করেছেন অনেকে। বিশেষ করে মেয়েদের কেনাকাটা চলছে বেশ জোরেশোরেই। বিক্রেতারাও আশায় বুক বেধে ঈদের নতুন পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন দোকানে।

এ ওয়াহাব প্লাজা মার্কেটের এস আর শাড়ি এন্ড ফ্যাশনের মালিক শহিদুর রহমান সুহেদ বলেন, রোজার প্রথম দিন থেকে ঈদ বাজার ধরে তারা এর ১৫ দিন আগেই নতুন পোষাক তুলেছেন। এরপর ঠিক রোজার শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। জুন শুরু হওয়ার পর থেকে বাজারে পুরোদমে কেনাকাটা শুরু হয়েছে। দোকানীরা জানিয়েছেন, এবারও ঈদ উপলক্ষে বাজারে ভারতীয় পোশাকের আধিক্য। তবে এবার ভারতীয় নায়িকা ও সিরিয়ালের নামে তেমন কোনো পোশাক আসেনি। এর বিপরীতে বাজার দখল করেছে কিছু পাকিস্তানি পোশাক। আর শাড়ির ক্ষেত্রে এবার দেশিই বিক্রি হচ্ছে বেশি। সব পোশাকের দাম এখন পর্যন্ত সহনশীল আছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আল মারওয়া শপিং সেন্টারের আফসার ফ্যাশনের সত্ত্বাধিকারী জুমেল আহমদ জানান, এবার ঈদে মেয়েদের পোশাকের ক্ষেত্রে ভারতীয় ‘ওয়ান পিস’ ও ছোট মেয়েদের বাহুবলী-২ এসেছে। এ দুটি বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত। থ্রি-পিস ‘ফ্লোর টাচ’ বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। মেয়েদের প্লাজো পাজামা বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার থেকে আট হাজার টাকায়। এছাড়া পাকিস্তানি লোন ৮০০ থেকে দুই হাজার ২০০ এবং দেশি থ্রি-পিস ৬৫০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
নিজের জন্য পোশাক কিনতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী সুমাইয়া জান্নাত বলেন, ‘সামনে ভিড় আরও বাড়বে, তখন দেখা যাবে একটা পোশাক ভালো করে দেখেও কেনার সুযোগ থাকবে না। তাই চাপ বাড়ার আগেই কেনাকাটা করতে আসলাম। অনেকগুলো দোকান ঘুরে কিছু কিনেছি, আরও কিছু কিনব। রোহান আহমদ নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, একটু আগেভাগেই কেনাকাটা করে ফেলছি এবার। শেষদিকে দাম থাকে বেশি, কাপড়ের মানও ভালো পাওয়া যায় না। তাই কিনে ফেললাম এখনই।’

ইমরান ফেব্রিক্সের মামুন আহমদ জানান, ঈদে এবার কাতান শাড়ি এসেছে। শাড়িটি দেড় হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টিস্যু সিল্ক নামে ভারত থেকে একটি শাড়ি এসেছে। এটি দেড় হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুসলিন জামদানি ও টাঙাইলের সিল্ক বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার টাকায়। দেশি বিভিন্ন শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে সর্বনিম্ন ৬৫০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকায়। তবে এবার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে সুতির শাড়ি। এগুলো দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে বেচাকেনা জমে উঠেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: