সর্বশেষ আপডেট : ২১ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৩ বছরেও শেষ হয়নি বড়লেখায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও একাডেমিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ 

newspic0010জালাল আহমদ ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখার হাকালুকি হাওরপারের ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর ৩ বছর অতিক্রান্ত হলেও আজও কাজ সম্পন্ন করেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী, নির্মাণ কাজ ১ বছরের মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু ৩ বছরেও তা শেষ না করায় স্কুলের শ্রেণী কার্যক্রম ও অফিস কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শ্রেণীকক্ষের অভাবে ঝড়ে বিধ্বস্ত একটি ঘরে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলছে বিজ্ঞানের ক্লাস। লাইব্রেরী কার্যক্রম বন্ধ রেখে ৩ বছর ধরে এ কক্ষ ব্যবহার হচ্ছে শিক্ষক মিলনায়তন ও প্রধান শিক্ষকের অফিস হিসেবে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ০৩ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়সাপেক্ষে দুই তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের টেন্ডার আহবান করে। ১২ মাসে কাজ সম্পন্ন করার শর্তে ২০১৪ সালের ১৬ মার্চ নির্মাণ কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পায় মৌলভীবাজারের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তোফায়েল আহমদ। ওই বছরের ১৮ আগস্ট প্রধান অতিথি হিসেবে ওই একাডেমিক ভবন কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শাহাব উদ্দিন।
Barlekha Bonna Asroy kendro work stop 1ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৭ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু কাজ শুরুর প্রায় ৩ বছর অতিক্রান্ত হলেও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কার্যক্রম ও শিক্ষকদের অফিস কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে সার্বিকভাবে স্কুলেল ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী ও এলাকার বন্যাকবলিত লোকজন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শ্রীবাস চন্দ্র দাস জানান, দীঘদিন ধরে নির্মাণ কাজ ঝুলিয়ে রাখায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। শ্রেণীকক্ষের অভাবে অনেকগুলো ক্লাস নেয়া সম্ভব হয় না। সার্বিকভাবে এর প্রভাব পড়ছে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে। ঠিকাদারকে ফোন করেও পাওয়া যায় না। নির্মাণকাজ সম্পন্নের ব্যাপারে তিনি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী জানান, যে উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার প্রায় কোটি টাকার বিল্ডিংটির বরাদ্দ দিলেন কিন্তু ঠিকাদারের চরম উদাসীনতার কারণে তা ভেস্তে যাচ্ছে। বিল্ডিংটির নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ না থাকলে এবারের ২-৩ দফা বন্যায় হাকালুকি হাওরপারের ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ এখানে আশ্রয় নিতে পারতো। এ বিষয়ে জানতে নির্মাণ কাজের ঠিকাদার তোফায়েল আহমদের মোবাইল ফোনে (০১৭১১-৩১৬৭৬৯) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: