সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাস্তার অভাবে দুর্ভোগে গোয়াইনঘাটের দেওরগ্রাম ও লাবু গ্রামের চার সহস্রাধিক বাসিন্দা

IMG_9940-600x400গোয়াইনঘাট সংবাদদাতা:: রাস্তার অভাবে গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের দুটি গ্রামের চার সহস্রাধিক বাসিন্দা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। গ্রাম দুটি হচ্ছে-দেওরগ্রাম ও লাবু। এ কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও মারাত্মক ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লাবু ও দেওরগ্রাম দুটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। এ দুটি গ্রামে প্রায় চার হাজার লোকের বসবাস। ভোটার সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। রয়েছে দেওরগ্রাম সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও অবস্থান। এ দুটি গ্রামে কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। শিক্ষার্থীদের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরবর্তী পরগনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁয়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়।
দেওরগ্রামের বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন ও আব্দুর রব জানান, তাদের দুজনের বয়স এখন ষাটের কাছাকাছি। কিন্তু, এই বয়সে তাদের গ্রামের রাস্তাটিতে ভালোভাবে মাটি ভরাট কিংবা পাকাকরণ হচ্ছে না। যে কারণে এই বয়সেও তাদেরকে কষ্ট করে পাঁয়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। যে কারণে তাদের দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না।

দেওরগ্রামের বাসিন্দা পরগনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্র জানায়, রাস্তা না থাকায় তাদেরকে প্রতিদিন প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। শুকনো মৌসুমে যাতায়াতে তাদের তেমন কোন কষ্ট না হলেও বর্ষা মৌসুমে তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। এ দুটি গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন এভাবে পাঁয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। রাস্তাটিতে ঠিক মতো মাটি ভরাট করা হলে কিংবা রাস্তাটি পাকাকরণ করা হলে তাদের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে বলে তার মন্তব্য।

পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য জালাল উদ্দিন বাবুল জানান, রাস্তাটিতে গত বছর কিছু মাটি কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু, এবার বরাদ্দের অভাবে মাটির কাজ করা যায়নি। এ কারণে রাস্তাটির কিছু স্থানে পানি জমে কাঁদার সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, রাস্তাটিতে মাটি ভরাট করা গেলে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে। মাটি ভরাটের পর রাস্তাটি পাকাকরণও করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, পরগনাবাজার থেকে লাবু মসজিদ হয়ে দেওরগ্রাম ভায়া ছড়িখাই নদীর পর পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট গেলে পুরো এলাকা যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে বলে জানান এ ইউপি সদস্য। তিনি জানান, এ এলাকার অধিকাংশ লোক গরীব। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের জন্য সক্রিয় কোন নেতাও নেই। যে কারণে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের মানুষের বঞ্চনার অবসান হচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: