সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অবসরকে উপভোগ করতে চান বোল্ট

1497017898স্পোর্টস ডেস্ক:: আগামী আগস্টে অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক থেকে অবসরে যাবেন বিশ্বের দ্রুততম মানব উসাইন বোল্ট। তবে এ নিয়ে তার কোন আক্ষেপ নেই তার। বরং অবসরটাকে উপভোগ করতে চান এ স্প্রিন্ট কিংবদন্তী। তিনি বলেন আক্ষেপতো নয়ই বরং আসন্ন ২০২০ টোকিও অলিম্পিকটি দর্শক হিসেবে উপভোগ করতে চান।
বার্তা সংস্থা এএফপি’কে এই দ্রুততম মানব বলেন, ‘আমার কাছে এটি (অবসর) হচ্ছে একটি উপভোগ্য বিষয়। দর্শক সারিতে বসে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিকস উপভোগ করতে পারার মধ্যে দারুণ তৃপ্তি রয়েছে। সেখানে বসে প্রতিযোগিতা উপভোগ এবং অতীত স্মৃতি রোমন্থন করার মজাই অন্য রকম। আমি দর্শক হয়ে অ্যাথলেটিকস উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’
১০০ ও ২০০ মিটারের বর্তমান বিশ্ব ও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন বোল্ট জ্যামাইকার মাটিতে শেষবারের মত ট্র্যাকে নামবেন আগামীকাল শনিবার। কিংস্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে বার্ষিক গ্র্যান্ড প্রিক্সে অংশগ্রহণই হবে তার নিজ দেশে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ অংশগ্রহণ।
অবসর গ্রহণের আগে বোল্টের সামনে আর মাত্র চারটি টুর্নামেন্ট রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে কিংস্টন মিট, ২৮ জুন অস্ট্রাভা মিট, ২১ জুলাই মোনাকো এবং ৪-১৩ আগস্ট লন্ডনের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ। গত আগস্টে ১০০ ও ২০০ মিটারে তৃতীয় বারের মত স্বর্ণ পদক জয়ের মাধ্যমেই অলিম্পিক থেকে অবসর নিয়েছেন বোল্ট।
বোল্ট বলেন, ‘আমার যে অনুভূতিটি হচ্ছে সেটি হল জনতার উচ্ছ্বাস থেকে বঞ্চিত হওয়া। দর্শকদের উপস্থিতিতে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটাকে আমি উপভোগ করি। আর অবসরের পর সেটি থেকেই আমি বঞ্চিত হব।’ অলিম্পিক, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে প্রাধান্য বিস্তার করার আগে বোল্ট তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন জ্যামাইকার এই জাতীয় স্টেডিয়ামে। বিশ্বের স্প্রিন্ট রাজধানী হিসেবে বিবেচিত এই ভেন্যুতে ২০০২ সালে বিশ্ব জুনিয়র গেমসে মাত্র ১৫ বছর বয়সে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। বোল্ট বলেন, ‘আমি নিজ দেশের সর্বশেষ ট্র্যাকে নামছি। আমার মনে হয় এতে বিপুল উপস্থিতি ঘটবে।’
২০১৩ সালের পর এখন পর্যন্ত একক প্রতিযোগিতায় কারো কাছে পরাজিত হননি বোল্ট। শনিবার স্বদেশী স্প্রিন্টারদের বিপক্ষেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইনজুরির কারণে ইতোমধ্যে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন অ্যাথলেটিকসের আরেক নামকরা তারকা আসাফা পাওয়েল। ফলে বোল্ট এখন প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছেন নেস্তা কার্টার , মাইকেল ফ্রাটার ও নিকেল আসমেয়াদিকে।
ডোপিং পরীক্ষায় উন্নীত হতে না পারায় ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে জ্যামাইকার র‌্যালী দলে একত্রে দৌঁড়ানোর পর আর কার্টারের সঙ্গে দৌঁড়ানো হয়নি বোল্টের। ১০০, ২০০ ও ৪ গুনিতক ১০০ মিটার রিলেতে ট্রিপল বিশ্ব রেকর্ডধারী বোল্ট বলেন,‘ আমি অবশ্য প্রশিক্ষণ নেয়া মিস করবনা।’
গত ২০ এপ্রিল ঘনিষ্ট বন্ধু ও অলিম্পিয়ান জার্মেইন ম্যাসনের মৃত্যুর কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে অনুশীলন করছেননা বোল্ট। বলেন, ‘আমার বন্ধুর মৃত্যুর পর থেকে আমি অনুশীলন বন্ধ রেখেছি। অবশ্য এখনো সবকিছু ঠিকই আছে। আমি এখন একটি অবস্থানে যাচ্ছি এবং প্রথম প্রতিযোগিতার জন্য সুস্থ বোধ করছি।’
বোল্ট ভাল কইে জানেন যে, সব তরুণ স্প্রিন্টারের স্বপ্ন এখন তাকে হারানোর। রিও গেমসের ২০০ মিটার ইভেন্টে বোল্টের পেছনে থেকে রৌপ্য পদক জয় করা কানাডীয় স্প্রিন্টার আন্দ্রে ডি গ্রাসে এখন উদীয়মান তারকা । যিনি স্বপ্ন দেখছেন একদিন বোল্টের রেকর্ড ভেঙ্গে দেবেন।
ভিনগ্রহের অ্যাথলেট খেতাব ধারী বোল্ট বলেন, ‘এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি কুটনীতির আশ্রয় নিয়েছি। এ সময় দেখলাম একটু অবস্থানে পৌঁছানোর পরই অধিকাংশ অ্যাথলেটের প্রধান লক্ষ্য থাকে আমাকে হারানোর। আমি এসব তরুণ অ্যাথলেটদের একধাপ আগে বাড়তে বলি।’
বোল্টের কোচ গ্লেন মিল জানিয়েছেন, তিনি বোল্টের বিদায়ী মুহূর্তটি দেখতে চান না। পাশাপাশি প্রশিক্ষণে তাকে সহযোগিতা করার জন্য বোল্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মিলস বলেন, ‘তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এটি আমার জন্য খুবই কষ্টের বিষয়।’ বাসস।
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: