সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মোবাইল নাম্বার জটিলতা: ছাতকের জাউয়া কলেজের ৬০ জনের মধ্যে ৫৯ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি বঞ্চিত

2.-daily-sylhet-666-2ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকের জাউয়া ডিগ্রি কলেজের ৫৯ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দায়িত্বহীনতার কারনে তালিকাভুক্ত ৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জনই শিক্ষার্থী পাচ্ছে না তাদের উপবৃত্তির টাকা। এসব শিক্ষার্থীর দু’বছরের উপবৃত্তির প্রায় ২০লক্ষ টাকা তামাদি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাউয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৬০ জনকে উপবৃত্তির তালিকায় আনা হয়। উপবৃত্তির তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইল নাম্বারসহ যাবতীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করেছেন। বুধবার উপবৃত্তি প্রাপ্তদের ছিল ব্যাংকে একাউন্ট খোলার শেষ দিন। তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইল নাম্বারে পিনকোডসহ ম্যাচেজ না আসায় কলজে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারে তারা। এসময়ই মোবাইলে ম্যাচেজ না আসার মুল কারন জানতে পারে। তালিকাভুক্ত ৬০ জনের মধ্যে ৫৯ জন শিক্ষার্থীরই ভুল মোবাইল নাম্বার প্রেরন করায় ম্যাচেজগুলো তাদের মোবাইল ফোনে না এসে বিভিন্ন মেবাইলে চলে যায়। ফলে পিনকোড জটিলতার কারনে শেষ দিনে তারা ব্যাংক একাউন্ট খোলতে পারেনি। এনিয়ে কলেজ কর্তপক্ষের কাছে শিক্ষার্থীরা জানতে চাইলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরন করেছে বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন। উপবৃত্তি তালিকাভুক্ত লিপি শুক্লবৈদ্য, নিলফার আক্তার, মৌমতিাসহ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারনে তারা সরকারের প্রদেয় উপবৃত্তি থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছে। ডিগ্রিতে ভর্তির সময় মোবাইল নাম্বারসহ সকল তথ্যাবলী তারা ভর্তি ফরমে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করেছে। কিন্তু উপবৃত্তি তালিকা প্রস্তুত করার সময় কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার কারনে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকটি মোবাইল নান্বারে ভুল করা হয়েছে। মনগড়া মোবাইল নাম্বার দেয়ায় উপবৃত্তির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে তারা।

তারা আরো জানান, কলেজের অধ্যক্ষ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ডেকে এনে তাদের নামের সাথে যে মোবাইল নাম্বারটি সংযুক্ত করা হয়েছে সে নাম্বাওে ফোন দিয়ে পিনকোড সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু অধ্যক্ষেও এ পরামর্শ অরোণ্যে রোদনে পরিনত হয়। শিক্ষার্থীর অভিভাবক ব্যাংক ম্যানেজার নিখিলেশ দাস ও ছৈল মিয়া জানান, শিক্ষার্থীদের যাবতীয় তথ্যাবলী ভর্তি ফরমে দেয়া আছে। ৬০ জনের মধ্যে ৫৯ জনের মোবাইল নাম্বার ভুল প্রেরনের বিষয়টি থেকে কর্তপক্ষ দায়বার এড়াতে পারে না। ঘটনাটিকে একটি বড় ধরনের কেলেংকারী বলে তারা মন্তব্য করেছেন। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামারও হুমকী দিয়েছে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল গাফফার জানান, ফরম পুরনের সময় ভুল করেছে শিক্ষার্থীরা। কলেজ কর্র্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী মজুমদার জানান, উপবুত্তির বিষয়টি সম্পূর্ন কলেজ কর্তৃপক্ষের। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের সাথে মাধ্যমিক জড়িত নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উল¬াহ খান জানান, এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ তিনি পাননি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: