সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ব্রিটেনের নির্বাচন কাল; চলছে শেষদিনের প্রচারণা

34r5t6y7u8i9o-600x363ডেস্ক রিপোর্ট:: আগামীকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটেনে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে। এবারের নির্বাচনে কয়েকটি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে— যেমন অভিবাসন, সমাজ কল্যাণ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিট; কিন্তু সব কিছুর মূলেই হচ্ছে অর্থনীতি। লন্ডনে রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিয়া চক্রবর্তীর মতে, মানুষ যখন ব্রিটিশ নির্বাচনে ভোট দিতে যাবেন তখন তারা যাচাই করবেন কোন দলের নীতি তাদের আয় অর্থাত্ তাদের পকেটের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে।

এদিকে, নির্বাচনের প্রচারণার মধ্যেই মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে কড়া নিরাপত্তার মাঝে শেষদিনের প্রচারণা চলছে ব্রিটেনে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, নির্বাচিত হলে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় মানবাধিকার আইন পরিবর্তন করবেন তিনি। বিদেশী সন্ত্রাসী হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার এবং বর্তমান হুমকি হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের স্বাধীনতা ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন তিনি ।

লন্ডনে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তার এই নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে আরো বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজকে বাধাগ্রস্ত করে মানবাধিকার বিষয়ক এমন যেকোনো ধরনের আইনের পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত আছে তার সরকার।

তিনি আরো বলেন “যখন আমরা হুমকির মুখে তখন যেকোনো পরিবর্তনই জটিল হয়ে দাড়ায়। আমরা নিশ্চিত করতে চাই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের হাতে যেন যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে”।

অর্থাৎ রক্ষণশীলরা বলছে, যদি মিসেস মে পুনরায় নির্বাচিত হন তাহলে তার সরকার ইউরোপীয় মানবাধিকার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো বাদ দিতে প্রস্তুত । এই বক্ত্যব্যের পর লেবার পার্টির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমন কোনও বার্তা সমাজের কাছে কিংবা সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছাতে চান না তারা। আর লিবারেল ডেমোক্র্যাট দল বলছে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস নয় বরং মানুষের স্বাধীনতাই হ্রাস করতে চাইছেন।

তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে শেষ মুহূর্তে এসে জয় পাওয়ার ব্যাপারে শঙ্কায় পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। গত মাসে লেবার পার্টির চেয়ে ১৬ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল কনজারভেটিভরা। কিন্তু নির্বাচনের আগের দিন দুই দলের রেটিং ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্টের। সবশেষ পরিচালিত এক জরিপের ফলাফল অনুযায়ী তাই কনজারভেটিভ প্রার্থী থেরেসা মে’র সঙ্গে লেবার নেতা জেরেমি করবিনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে।

জরিপে দেখা যায়, গত মাসে লেবার পার্টির চেয়ে ১৬ পয়েন্টে এগিয়ে থাকার সুবিধা হারিয়েছে কনজারভেটিভরা। সার্ভশেনের একটি জরিপে দেখা যায়, এখন কনজারভেটিভদের রেটিং পয়েন্ট ৪১.৫ শতাংশ এবং লেবারের পয়েন্ট ৪০.৪ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটদের পয়েন্ট ৬ এবং ইউকেআইপি এর পয়েন্ট ৩ শতাংশ।

কনজারভেটিভদের এবারের শ্লোগান হচ্ছে ‘শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল সরকার’। জনমত জরিপ থেকে তারা ধারণা করছে, দলের চেয়ে মে বেশি জনপ্রিয়। অন্যদিকে লেবারের চিত্র ভিন্ন। সেখানে দল যত জনপ্রিয়, দলের নেতা করবিন তত জনপ্রিয় নন। তবে তরুণদের মাঝে করবিনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। যদিও অতীতের নির্বাচনে দেখা গেছে তরুণদের চাইতে অবসরপ্রাপ্ত মানুষ অনেক বেশি সংখ্যায় ভোট দেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা ও সিএনএন

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: