সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্রোতে পিলার হেলে গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত : জনসাধারণের যাতায়াত ব্যাহত

unnamedচুনারুঘাট প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা ৯ নং রানিগাঁও ইউপির অদুরে পুর্ব রানিগাঁও এর গ্রাম সংলগ্নে করাঙ্গী নদীতে নির্মিত অবস্থায় সেতুর পিলার ধেবে কাত হয়ে পড়ে আছে । ফলে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকায় পারকুল বস্তির, নাসিরাবাদসহ গরমছড়ির লক্ষাধিক জনগনের হাঁটা যাত্রা তথা যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, এটি করাঙ্গী নদী। আঁকা-বাঁকা মেটুপথ দিয়ে চলে গেছে। নদী এপার হল রানিগাঁওয়ের পুর্বগ্রাম আর ওই পার হল পাহারবেষ্টিত গ্রাম পারকুল বস্থি ও গরমছড়ি ।রানিগাঁও বাজার থেকে ব্রীজ দুরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার হবে। করাঙ্গী নদী উপর সেতু নির্মাণকার্য শুরু হয়ে ছিল এবং একসময় করাঙ্গী প্রবল স্রোতে ভেঙ্গে যায়।

ষাটোর্ধ চারজন প্রবীণ বলেন, সেতু পিলারগুলো গভীর গর্ত না করার কারণে পানি স্রোতে বালু মিশ্রিত মাটি পিলারের নিচ থেকে সরে যায় ও
বিপত্তি ঘটে। খুটিগুলো এখন উপুড় হয়ে পড়ে আছে।

পারকুল গ্রামে অধিবাসী জনাব আতর আলী বড় আক্ষপে করে বলেন,পদ্মা-যমুনা নদী উপর কত বড় বড় ব্রীজ নির্মাণ হচ্ছে। সেগুলো প্রবল স্রোতে সেতু ভাঙ্গে না! ছোট নদীতে সেতু নির্মাণাধীন অবস্থাই ভেঙ্গে গেলো। ব্রীজ টি নড়েচড়ে বসলো।

পারকুল বাজারের ব্যবসায়ী আমজাদ আলী বলেন, ব্রীজ টি না হওয়া ব্যবসায়ী পন্য আনা-নেওয়া নদীর পারাপারে ক্ষেত্রে কষ্ট হয় তার চেয়ে খরচে পরিমাণ টা বেশি হয়।

রানিগাঁও মাসুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র পারকুল নিবাসী আহমদ আলী বলেন, এই ব্রীজ না থাকায় আমাদের স্কুলে যাতায়াত ব্যহত হচ্ছে। প্রায় দুইশত ছাত্র-ছাত্রীরা ভোগান্তি শিকার হন। তবে শুকনা সময় নদীর পার হওয়া যায় কিন্তু বর্ষার সময় বিশেষ করে সাঁকু পার হওয়া দুরুহ ব্যাপার, তারচেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে দুর্ভোগে শিকার হন। বয়স্ক নারী-পুরুষরা সাঁকু পারাপার কষ্ট হয়।

করাঙ্গীতে মাছ ধরেছেন স্থানীয় আক্কাছ আহমদ বলেন, বর্ষার সময়ে ছোট গাড়ি চলে না তবে শুকনো সময়ে পারকুল টু রানিগাঁও বাজারে সি,এন,জি নদী পার হয়ে চলাচল করে। বালু মাটি হওয়া ভারি যানবাহনের পাশাপাশি ছোট ছোট যান চলছে। গাড়ি চাকা ধাবে না! সেখানে গেলে না গেলে বুঝা যাবে না যে পারকুল বা গরমছড়ি মানুষ যাতায়াত ক্ষেত্রে নদীর পারাপারে কষ্ট হচ্ছে।

সেতু পুন:নির্মাণে পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে এলজিইডি কর্মকর্তা রাশেদুল আলম বলেন, পনে দুইকোটির টাকার ব্যয়ের সেতু নির্মাণ করা হবে। পুরনোটি বাদ দিয়ে নতুন করে নির্মাণে প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অনুমোদন হয়ে গেলে ৪/৫ মাসের মধ্য কাজ শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, ছোট কালভার্ট নির্মাণ করতে ৩/৪ লাখ টাকা খরচ হয়। সাত লাখ টাকায় ৩০/৪০ ফুট লম্বা সেতু নির্মাণ অকল্পনা, অবাস্তব। তৎকালিন সময় সংলিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক পরিকল্পনা কে দায়ি করেন তিনি।

৯ নং রানিগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান নুরুল মোমিন চৌধুরী ফারুক বলেন, সেতু হয়ে গেলে পাহারবেষ্টিত জনগোষ্ঠীদের যাতায়াতের পথ সুগম হবে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পাবে। যোগাযোগব্যবস্থা আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: