সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ১১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৩ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী

1. daily sylhet 0-2মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলায় বাঁধ ভেঙে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। অনেক এলাকার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অনেকে বাঁধে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন। জনপ্রতিনিধিরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু ত্রাণ দিয়েছেন। তবে সরকারি ত্রাণসামগ্রী কেউ পায়নি।

এর মধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৮৮টি গ্রামের ৭১ হাজার মানুষ পানিবন্দী। লাঘাটা ছড়ার পুরাতন চারটি ভাঙা অংশ দিয়ে আদমপুর, আলীনগর, শমশেরনগর, মুন্সীবাজার ও পতনঊষার ইউনিয়নের এসব গ্রামে পানি ঢুকেছে।Flood20170606093014

আদমপুর ইউনিয়নের আদকানী-আদমপুর-কোনাগাঁও রাস্তা, দক্ষিণ তিলকপুর রাস্তা, নঈনারপার-কাঁঠালকান্দি রাস্তা ও হোমেরজান-উত্তর ভানুবিল রাস্তার ওপরে অন্তত ৩ ফুট পানি দেখা গেছে।

আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, গতকাল ধলাই নদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এখানে অন্তত সাত হাজার মানুষ পানিবন্দী।

আলীনগর ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী। কামুদপুর এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের যাতায়াতের তিনটি রাস্তা ৪ ফুট পানির নিচে।

আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক জানান, সেখানে ১১ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী।

শমশেরনগর ইউপির ১৮ গ্রামই প্লাবিত হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ জানান, তার ইউপিতে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী। পরিবারগুলোকে প্রাথমিকভাবে কিছু সহায়তা দিয়েছেন। শমশেরনগর-সুরানন্দপুর সড়কের শিংরাউলী এলাকা ২ ফুট পানির নিচে। শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের বিমানবন্দর রেলগেট এলাকায় ২ ফুট পানি।

flod

মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ২৩ গ্রাম এখনো প্লাবিত। ইউপি সদস্য শফিকুর রহমান বলেন, এখানে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন আহমদ বলেন, এবারের পানির আঘাত অনেকটা ব্যতিক্রমী। ৮৮টি গ্রামের আউশ ফসল রক্ষা করা বেশ কঠিন হয়ে পড়বে।

এদিকে মনু নদের চারটি স্থানের বাঁধ ভেঙে রাজনগর উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। গত রোববার রাতে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের ভোলানগর ও চাটি কোনাগাঁও এবং টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর ও কোনাগাঁওয়ে বাঁধ ভেঙে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

এদিকে কুলাউড়া উপজেলায় বাঁধ ভেঙে আরও ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ উপজেলায় অন্তত ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী। টিলাগাঁও ইউনিয়নের মিয়ারপাড়া গ্রামে মনু নদের প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় ১০-১৫টি পরিবার বাঁধের শুকনো স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগে শনিবার রাতে পাশের শরীফপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে মনু নদের প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: