সর্বশেষ আপডেট : ২৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কাজিরখিলে সেতু থাকলেও সংযুক্তকারী মাটির সড়কটি পাকাকরণ হয়নি

unnamed (4)চুনারুঘাট সংবাদদাতা:: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের কাজিরখিল বাজারে পাশে খৌয়াই নদীতে নবনির্মিত সেতুর কাজ সমাপ্ত হলেও সংযুক্তকারী মাটির সড়কটিতে পাকা সড়কে রূপান্তরিত করা হয় নি। দীর্ঘদিন ধরে এর যানবাহন চলাচলেরর পথ সুগম করতে পাকা সড়ক নির্মাণ না করায় কোটি টাকার সেতু কোনো কাজে আসছে না।

সরজমিনে দেখা যায়,কাজিখিল সেতুর কাজ শেষ হলেও রাস্তা পাকাকরণে কাজ শেষ হয় নি। শ্রীকুটা থেকে অতিক্রম করে নবনির্মিত সেতু পার হয়ে সাটিয়াজুরি সড়কে সাথে মিলিতি হয়েছে। দুরত্বে প্রায় তিন কিলোমিটার হবে। সেতুর একপাশে প্রায় হাফ কিলোমিটার জায়গায় মাটির ফেলে চাটপাড়া দাখিল মাদ্রসার অদুরে সংলগ্নে চুনারুঘাট-সাটিয়াজুরি সড়কের সাথে মিলিত হয়েছে। মাটির সড়ক হওয়ায় ছোট ছোট যানবাহণ চলাচল করছে না। তবে অনেকই সেতু অতিক্রম করে নদীর পাড় দিয়ে গাজিগঞ্জ বাজার হয়ে চুনারুঘাটে প্রায় দুটি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছেন। বর্তমানে সেটি স্বল্প পরিষরে গাড়ি চলছে। সড়কটি পাকাকরণের কাজ শেষে হলে বিশেষকরে পুর্বাঞ্চলের জনগন তথা সাটিয়াজুরি এবং রানিগাঁও ইউনিয়নের লক্ষাধিক জনসাধারণ চুনারুঘাট/হবিগঞ্জ অভিমুখে অতিসহজে যাতায়াত করার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে । এদিকে চুনারুঘাট পৌর শহরের পুর্বাঞ্চলের দ্বার বৈইলী সেতুর অনেকটা চাপ কমে যাবে পাশাপশি গাড়ির ঝট হ্রাস পাবে।unnamed (3)

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুনারুঘাট উপজেলার এলজিইডি কর্মকর্তা মো রাশেদুল আলম বলেন, “২০১১ সালে কাজিরখিল সেতু নির্মাণে কাজে শেষ হয়। ২০১০ সনের ২য় দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে মের্সাস আজাদ এন্ড ব্রাদার্স নামে ঢাকার এই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টি ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় সেতুর নির্মাণ কার্য শেষ করে। সেতুটি লম্বা ১৪০ মিটার। ধারাবাহিক ক্রমান্বয়ে দুটি টেন্ডারে প্রায় ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সেতুর পেছনে খরচ হয়।

বিএনপি সরকারে সময়ে সেতুর প্রাথমিক পর্ব শুরু হয় উল্লেখ করে এই প্রকৌশলী আরও বলেন, ২০০৪ সনের প্রথম দরপত্র প্রক্রিয়াদি সম্পন্ন করে তৎকালিন ঢাকার একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সেতু নির্মাণে প্রাথমিক পর্ব শুরু করে। তৎকালিন সময়ে সেতুটি বেশিরভাগ কাজ করেন কিন্তু একসময় তারা কাজ ফেলে দিয়ে চলে যায়। এর প্রেক্ষাপটে টেন্ডার বাতিল করা হয় এবং ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা করা হয়েছিল। ফলে সেতু নির্মাণে কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় লেগে যায়।

সংযুক্তকারী মাটির সড়কটি পাকাকরণ হচ্ছে না কেনো জানতে চাইলে রাশেদুল আলম বলেন, হাফ কিলোমিটার মাটির সড়কটি পাকাকরণ প্রক্রিয়াধীন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্ধ অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই অর্থ বছরে না হলে পরবর্তী অর্থ বছরের কাজ টি শুরু হবে। আর এখন পাকাসড়ক না হওয়ায় আপাতত যানবাহণ তেমনটা চলছে না। সাময়িক সময়ে জন্য জনসাধারণদের কষ্ট হচ্ছে । তবে সেই সমস্যা থাকবে না। সমাধান হবে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি ।

“কাজিরখিল সেতু নিয়ে দৈনিক ইনক্লাব ও প্রথমসেবা নিউসটি মিথ্যা-বানোয়াট- ভূয়া সংবাদ- উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও হেয় প্রতিপন্ন এবং উন্নয়ন ধারা কে স্তব্ধ ” বললেন চুনারুঘাট উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী মো রাশেদুল আলম ।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: