সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় ৪৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, তথ্য জানেন না শিক্ষা অফিসার!

2.-daily-sylhet-666-2মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী বড়লেখা উপজেলার ৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নেই প্রধান শিক্ষক। ভারপ্রাপ্তদের দ্বারা ভারাক্রান্ত এসব স্কুলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে নানা কোন্দল, অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ। এর যাঁতাকলে নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ। ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে লেখাপড়ার মান। তবে উপজেলার কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে এ তথ্যটিই জানেন না-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন!

অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় ৫৩টি সদ্য জাতীয়করণসহ মোট ১৪৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। অবসর গ্রহণ ও বদলিজনিত কারণে এর মধ্যে ৪৮টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, একাধিক শূন্য পদ থাকা স্বত্ত্বেও বিধিবহির্ভূতভাবে শিক্ষা অফিসকে ম্যানেজ করে অনেক প্রধান শিক্ষক পছন্দের এলাকায় বদলি হয়েছেন। স্ব স্ব বিদ্যালয়ের বাকি শিক্ষকদের সিনিয়র একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।

প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি বন্ধ থাকায় বছরের পর বছর এসব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে অর্ধশত প্রাথমিক বিদ্যালয়। দাপ্তরিক কাজকর্মের পাশাপাশি পাঠদান করতে গিয়ে এসব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকদের মধ্যে নানা কোন্দল ও গ্রুপিং সৃষ্টি হওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পাঠ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক অযোগ্য ও প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষা অফিসকে ম্যানেজ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককের পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন।

সরেজমিনে বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে জানা গেছে, ২ ও ৩ শিক্ষকের স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষক না থাকায় একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত করায় অনেক ক্লাসের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তাছাড়া মাতৃত্বজনিত ছুটি ও ট্রেনিং সংক্রান্ত ডেপুটেশন দেয়ায় অনেক বিদ্যালয়েই বছরের বেশিরভাগ সময় শিক্ষক শূন্য থাকে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন এমন কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় সকল দাপ্তরিক কাজকর্ম করতে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষকরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, বড়লেখায় কয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে তা তিনি জানেন না। তবে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আলিম জানান, সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করলে স্বাভাবিকভাবেই স্কুলের শ্রেণী কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটবে। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের জন্য পদোন্নতিযোগ্য সহকারী শিক্ষকদের একটি তালিকা তৈরি করে অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: