সর্বশেষ আপডেট : ১৫ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারের হোসেনপুর সপ্রাবি’র ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে চলছে পাঠদান

unnamed (3)মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাজিরাবাদ ইউনিয়নের মৌলভীবাজার-শমশেরগঞ্জ সড়কের হোসেনপুর গ্রামে অবস্থিত হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম চলছে ঝুঁকিপূর্ণ একটি টিনশেড ঘরে। মান্দাতা আমলের পুরাতন টিনশেড দিয়ে তৈরি ৩টি কক্ষ বিশিষ্ট ঘরটিতেই ১৩০ জন শিশু নিয়ে চলছে যাবতীয় শিক্ষা কার্যক্রম। জরাজীর্ণ টিনশেডের ঘরে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। স্কুলটিতে কোনো পুরুষ শিক্ষক নেই। তবে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনিসহ অন্য ৩ জন সহকারী শিক্ষক দিয়েই ১৩০ জন শিশুর পাঠদান চলছে।

জানা গেছে, ৩টি শ্রেণীকক্ষ আর স্টোররুমের আদলে তৈরি একটি কক্ষে শিক্ষকদের বসার স্থান। স্কুলটিতে প্রধান শিক্ষকের বসার জন্য আলাদা কোনো কক্ষ নেই। সহকারী শিক্ষকদেরও বসার নির্দিষ্ট কোনো কক্ষ নেই। শিক্ষকরা জানান, প্রতিটি কক্ষেই বৃষ্টি হলে অঝর ধারায় শ্রেণীকক্ষে পানি ঢুকে ব্যাহত হয় শিক্ষা কার্যক্রম। প্রতিটি কক্ষের টিনের ফাঁক দিয়ে ছোটো ছোটো ছিদ্র থাকায় বৃষ্টি হলেই এসব ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে ক্লাসরুম ভিজে যায়। এ কারণে শিক্ষকরা চাঁদা তুলে কাপড় ক্রয় করে তা টিনের নিচে ঝুলিয়ে রেখেছেন। যাতে করে প্রাথমিকভাবে পানি আটকিয়ে রাখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলাকার দানশীল ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের উদ্যোগে ১৯৯৬ সালে স্থাপন করা হয় প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকে স্কুলটি একটি রেজিস্টার্ড স্কুল হিসেবে পরিচালিত হলেও ২০১৩ সালে স্কুলটি জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও স্কুলটিতে নতুন ভবন নির্মাণসহ সামগ্রিক উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। ২০১৬ সালে স্কুলটি কালবৈশাখীর আঘাতে ল-ভ- হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে পড়ে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম। এরপর সামান্য সরকারি অনুদান আর এলাকাবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে জরাজীর্ণ টিনশেডের ঘরটি পুননির্মাণ করা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জরিনা বেগম জানান, মাত্র ১৫ শতক জায়গা নিয়ে স্কুলের অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্কুলের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য যোগাযোগ করা হয়। কিছুদিন আগে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে একটি পত্র এসেছে স্কুলে, এটি পূরণ করে পাঠালে কর্তৃপক্ষ স্কুল নির্মাণের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: