সর্বশেষ আপডেট : ২৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাহিরপুরের ৩টি শুল্কস্টেশন আবার বন্ধ

unnamedজাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া,তাহিরপুর:: সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তের ব্যস্ততম ৩টি শুল্ক বন্দর (বড়ছড়া,চারাগাঁও,বাগলী) আবারও বন্ধ গেছে। অর্থনৈতিক জোন খ্যাত দেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের মেঘালয় পাহাড়ের পাশে অবস্থিত এই বন্দর গুলো গত বুধবার (৩১মে,২০১৭ইং) থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কারনে কর্মহীন হয়ে বিরান ভুমিতে পরিনত হয়েছে। আর সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব। আশা-নিরাশার ধুমজালে সময় পার করছেন ৩টি শুল্ক বন্দরে ৫শতাধিক আমদানী কারক,৩শতাধিক স্থানীয় ছোট বড় শাড়ী,কাপড় ও বিভিন্ন প্রশাধনী ব্যবসায়ী ও ৩৫হাজারের অধিক শ্রমিক। এবারও বোরো ধান সর্ম্পূন পানিতে ডুবে যাওয়ায় এখানে অনেকেই কাজ করে কোন রখমে জীবন পার করছিল। বন্দর গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকা ছেড়ে তারা এখন শহর মুখি হচ্ছে হাজার হাজার শ্রমিকগন।

জানাযায়, গত বছরের ২৩নভেম্বর থেকে কয়লা আমাদী শুরু হলেও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের কারনে বন্দর গুলো আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম কোন রখমে চলছিল। এই বছরের ৫জানুয়ারী থেকে আবারও পুরুদমে চলে কার্যক্রম। ৬মাস চালুর পর বুধবার (৩১শে মে,২০১৭ইং) থেকে সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ৫শতাধিক আমাদনী কারন তাদের কর্মচারী ও কর্মরত শ্রমিকগন হতাশায় ভুগছে। আরো জানাযায়,ভারতের মেঘায়ের পরিবেশবাদী সংঘটন ডিমাহাসাও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের আবেদনের ভিত্তিতে ২০১৪সালে ১৭এপ্রিল ভারতীয় আদালতে একটি মামলা দায়ের করে ন্যাশনাল গ্রীন ট্রাইবুনাল (এনটিজি) মেঘালয় সরকারের অবৈধ কয়লা খনন ও পরিবহন বন্ধের নিদের্শ দেয়। ২০১৪সালে ১৩মে থেকে মেঘালয় সীমান্তে জেলা গুলোয় ১৪৪দ্বারা জারি করার পর কয়লা পরিবহন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বন্ধ থাকার কারনে সরকারের রাজ্যস্ব আদায়ে ধস নেমেছিল তিনটি শুল্ক বন্দরের কার্যক্রমে। এর পর কয়েক দফা কয়লা আমদানী কার্যক্রম চালু হলেও গত বছরের ১৬মে আবারও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বন্দর সংশ্লিষ্ট ৫শতাধিক আমদানিকারক নতুন কোন এলসি খোলে কয়লা-চুনাপাথর আমদানি করতে না পারায় মারাতœক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আর বিপুল পরিমান রাজ্যস্ব হারাবে সরকার। কয়লা আমদানী কারক সমিতির নেতৃবৃন্ধ ও বিভিন্ন কয়লা আমদানী কারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারীগন জানান-শুল্ক বন্দর আবার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসহায় হয়ে পরেছি। আমদানি চালু হবে তা কেউই সঠিক ভাবে বলতে পারছি না। যার ফলে এর সাথে জরিত শ্রমিকরা এলাকা ছেড়ে শহর মুখী হচ্ছে কাজের সন্ধানে। তবে ভারতীয় কয়লা রপ্তানী কারকগন আইনী লড়ায় করছে। গুরুত্বপূর্ন ৩টি শুল্ক বন্দরের আমদানী কার্যক্রম চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সহ বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছে তাহিরপুর উপজেলাবাসী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: