সর্বশেষ আপডেট : ৫৯ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাজনগরে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ

unnamed (2)মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের প্রেমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝাড়ুদার পাবলু মিয়ার হাতে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর জনৈক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ধর্ষককে।

সূত্র জানায়, স্কুলে নিয়োগপ্রাপ্ত ঝাড়ুদার বাবলু মিয়া হলেও তার পরিবর্তে ছোটোভাই পাবলু মিয়া ঝাড়–দারের দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৫ মে সকালে ক্লাস শুরুর পূর্বে ২য় শ্রেণীর জনৈক ছাত্রী তার সহপাঠীদের নিয়ে স্কুলে যায়। পাবলু মিয়া সহপাঠী ২জন ছাত্রীকে স্কুলের পিছনে গাছের পাতা কুড়াতে বলে পাঠায় এবং লাঞ্ছনার শিকার ছাত্রীর চাচাতো ভাই শরিফ মিয়াকে পাশের রুমে গামছা দিয়ে বেঁধে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে বলে নির্যাতিত শিশুটি মৌলভীবাজার সদর হাসপতালের বিছানায় থেকে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। প্রায় ২০ মিনিট পরে ধর্ষক পাবলু মিয়ার ভাই বাবলু মিয়া স্কুলে আসলে নির্যাতিত ২য় ওই ছাত্রীটি তাকে ঘটনাটি বলে। তখন বাবলু এই ঘটনাটি কাউকে না বলতে মেয়েটিকে ৫ টাকা দিয়ে দোকান থেকে কিছু খেতে বলে। নির্যাতিতার বড়োভাই হৃদয় মিয়া রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি শুনে এগিয়ে গেলে বাবলু মিয়া তাকে জানায়, এ বিষয়টি বাড়িতে বা অন্য কারও কাছে বললে তোকে মেরে নদীতে ফেলে দেয়া হবে। পরে হৃদয় মিয়া বাড়িতে গিয়ে মা ও দাদীর কাছে বিষয়টি জানায়। ওইদিন নির্যাতিতার মা স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষক লুৎফা বেগমের কাছে অভিযোগ করলে সন্তুষ্টজন উত্তর পাননি।
নির্যাতিতার বাবা দুলাল মিয়া জানান, বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে সমাধান করতে গত ২৭ মে এলাকার কয়েকজন মুরব্বি তাকে ডেকে নেন। সালিশে মেয়ের চিকিৎসা বাবদ ৫ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাকে জানান ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। এ বিষয়ে তিনি এর আগে গত ২৬ মে ও ২৭ মে রাজনগর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। বিষয়টি নিয়ে আইনিভাবে অগ্রসর হলে পাবলু এবং তার ভাইরা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রাণে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে অভিযোগ করেন।
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসাল্টটেন্ট ফাতেমা মমতাজ রুজি জানান, শিশুটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, অভিযোগটি কতোটুকু সত্য তা ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়া বলা যাচ্ছে না। তবে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে এটা শেষ করতে চাইলে মেয়ের পরিবার এটা মানতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে জানতে পাবলুর বাবা চিনু মিয়া’র সাথে একাধিকবার যোগোযোগ করার চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: