সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছড়িয়ে পড়ছে রোগবালাই

1495680580নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীসহ সারাদেশে চলমান প্রচন্ড তাপদাহে ছড়িয়ে পড়ছে জটিল সব রোগবালাই। গরমে ভাইরাস জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, শিশুর নিউমোনিয়া, জন্ডিস ও আমাশয় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গরমে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতালসহ রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে রোগীদের ভিড়। অধিকাংশ রোগী প্রাথমিক চিকিত্সা নিচ্ছেন। তবে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তরাই ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রোগীর চাপ বেশি।

বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলছেন, তাপদাহের তীব্রতা চলতে থাকলে এ সংকট আরো বাড়তে পারে। এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বয়স্ক ও শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে। কর্মজীবী মানুষ যারা জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যাচ্ছেন তাদের যথাসম্ভব রোদ এড়িয়ে চলা উচিত।

শিশু হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৫৫০ জন শিশু হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে আসে। কিন্তু গত এক মাস ধরে প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৭৫০ জন শিশু চিকিত্সা নিতে আসছে। এতো রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার ও নার্সদের।

এদিকে গরমের মধ্যে রাজধানীতে মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মস্থলসহ সর্বত্রই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মশা। এমনকি চলন্ত গাড়ির মধ্যেও মশার কামড় থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নগরীর বাসিন্দারা। শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে, কয়েল জ্বালিয়ে, ইলেকট্রিক ব্যাট কিংবা মশানাশক ওষুধ সেপ্র করেও প্রতিকার মিলছে না।

জানা গেছে, প্রতি বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশা নিধনের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এগুলো খরচও করা হয়। তবে নগরবাসীর অভিযোগ, কাজের কাজ কিছুই হয় না। সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিদিন মশার ওষুধ ছিটানোর জন্য সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক ওয়ার্ডে সকাল-সন্ধ্যা দুই বেলা ৫-৬ জন করে কর্মী কাজ করছেন।

তবে কোনো কোনো এলাকায় কয়েক মাসেও তাদের দেখা পাননি এলাকাবাসী। কামরাঙ্গিরচরের বাসিন্দা জমির শেখ বলেন, দিন-রাত সব সময় মশার উত্পাত থাকে। রাতে মশার কয়েল ও ওষুধ সেপ্র করেও রেহাই পাওয়া যায় না। দিনে বিশ্রাম নিতেও টানাতে হয় মশারি। চিকিত্সকরা বলছেন, মশা ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালিরিয়াসহ মারাত্মক রোগের জীবাণু বহন করে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, মেয়রের বাড়িতেও মশা আক্রমণ করে। তাই মশা নিয়ে মেয়ররাও কাহিল। তবে মশক নিধনের জন্য আমরা তত্পরতা আরও বাড়িয়েছি। এবার বাজেটে ২৫ কোটি টাকা রেখেছি মশক নিধনের জন্য।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ছড়িয়ে পড়া বন্ধে বাড়ির আশেপাশে যেনো পানি জমতে না পারে সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাড়ির আঙিনা, ফুলের টব, ভাঙা অব্যবহূত পাত্র, এসিতে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: