সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শিক্ষার আধুনিকীকরণে বড় বাধা কিছু অভিভাবক : বিয়ানীবাজারে শিক্ষামন্ত্রী

Pic-7বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি ::
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হচ্ছে। মৌখিক ও গুণগত পরিবর্তন না ঘটলে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার আধুনিকীকরণ খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে বড় বাধা আমাদের কিছু অভিভাবক। তাঁরা কোনোভাবে শিক্ষার বৈপ্লবিক পরিবর্তন মেনে নিতে পারেন না। আগের কাঠামোতেই তাঁরা থাকতে চান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের অধীনে থাকা ত্রিশটি দেশের জনসংখ্যার চেয়ে আমাদের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। ৪ কোটি ৪৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থীদের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে বিয়ানীবাজার পিএইচজি মডেল উচ্চবিদ্যালয় সরকারীকরণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক বিপ্লব চক্রবর্তীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ.কে.এম. গোলাম কিবরীয়া তাপাদার, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল ও পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রুশ বিপ্লবের সময় পিএইচজি স্কুল স্থাপন করা হয়। ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয় এ বছর শতবর্ষ পূর্ণ করেছে। বিদ্যালয়ের শতবর্ষে সরকারীকরণ হয়েছে; আপনাদের জন্য এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার। তিনি বলেন, আমাদের সন্তানেরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করবে।
দুপুর ২টা শিক্ষামন্ত্রী বিয়ানীবাজার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন শেষে কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এ জাতি কোনোভাবে অস্বীকার করতে পারবে না। সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্নবাসন থেকে শুরু করে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। আর্থিকভাবে অনগ্রসর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা ঘর বানিয়ে দিচ্ছে। একেকটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৯ লাখ টাকা।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুম মিয়ার পরিচালনায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম মহসীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম, পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: