সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট প্রেসক্লাবে সরষপুরবাসীর সংবাদ সম্মেলন: নগরীতে জাল দলিল তৈরি করে ভূমি আত্মসাত চেষ্টার অভিযোগ

unnamed (9)নগরীতে জাল দলিল তৈরি করে ভূমি আত্মসাত চেষ্টা ও ইম্পালস বিল্ডার্সের নামে শেয়ার হোল্ডারদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার নগরীর সরষপুরবাসীর উদ্যোগে সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিহাব উদ্দিন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পুলিশ লাইন গির্জা সমিতির তৎকালীন চেয়ারম্যান হরেঙ্গা লুসাইয়ের কাছ থেকে ৯৯ বছরের জন্য তারা জায়গা বন্দোবস্ত নেন। ২০০০ সালে ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়া এলাকার বাসিন্দা এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম এই সমিতির জায়গা দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তিনি ২০০৬ সালে একটি জাল দলিল তৈরি করে জায়গাটির নামজারিও করে ফেলেন। যার নং ১৮৫২২/০৬। নামজারি খতিয়ান নং ১৩৮৪১। ওই বছরই ইম্পালস বিল্ডার্স নামে একটি ডেভলাপার কোম্পানী করেন সিরাজুল ইসলাম। জাল দলিলের মাধ্যমে কোম্পানীর নামে ৮০ শতক জায়গা দেখিয়ে শেয়ার বিক্রি শুরু করেন। প্রায় ৫০ জন প্রবাসীদের কাছ থেকে ইম্পালস বিল্ডার্সের ডাইরেক্টরশীপ বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেন। এ টাকা দিয়ে শুরু করেন ইম্পালস টাওয়ারের নির্মাণ কাজ। মাত্র ৫জন ডাইরেক্টরের নামে নিবন্ধন করেন কোম্পানীটি। এই ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী ফরিদা আফসানা ও শ্যালক হাসান মোহাম্মদ জাকারিয়া। সিরাজুল ইসলাম ৫০ জন ডাইরেক্টরের কাছ থেকে টাকা নিলেও তিনি এটিকে শুধু পারিবারিক কোম্পানী করে নিজের ইচ্ছেমতো বাসার বেডরুমে বসে রেজ্যুলেসন তৈরি করেন। কোম্পানীটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো সাধারণ সভা এবং অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করেননি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, একই জায়গা দেখিয়ে সিলেট মার্ট প্রাইভেট লিমিটেড নামে আরেকটি কোম্পানী করে এই চক্র। প্রায় ২৫০ জন প্রবাসীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করা হয়। বর্তমানে এই কোম্পানী দুটির কোনো কার্যালয় এবং কার্যক্রম নেই। প্রতারিত ব্যক্তিরা এ বিষয়ে প্রতিকার চাইলে তাদেরকে নানা রকমের মিথ্যা এবং লোভনীয় প্রস্তাব দেন সিরাজুল ইসলাম। কেউ আইনের আশ্রয় নিলে তাকে হুমকি প্রদান করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বৃটিশ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রিন্সিপাল মো. তৌহিদুল ইসলাম, দি এইডেড স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক ফালিক উদ্দিন, হাজী শেখ হাসিনা, বেলাল হোসেন ও এমরান হোসেনকে দেওয়ানী এবং ফৌজদারী মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন সিরাজুল ইসলাম। এই চক্রটি সাধারণ মানুষের সাথে লোভনীয় শর্তে চুক্তি সম্পাদন করে অর্থ আত্মসাত করে যাচ্ছে। এই কোম্পানীটি ২০০৬ সালে রিকাবী বাজারের হোয়াইট রোজ শপিং কমপ্লেক্সে এর ৪র্থ তলায় কার্যালয়ের জন্য স্পেস ভাড়া নেয়। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তাদের কার্যালয় ছিল। ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা বকেয়া থাকলেও ভবনের মালিক দরছ মিয়াকে এখনো তা পরিশোধ করা হয়নি। ২০১৫ সালে বৃটিশ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি ইম্পালস টাওয়ারে হস্তান্তরের জন্য একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। কিন্তু সিরাজুল ইসলামের প্রতারণার কারনে কলেজটির কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। এ ঘটনায় কলেজের প্রিন্সিপাল বাদী হয়ে সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। প্রতারিতরা আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে সিরাজুল ইসলাম। তার হুমকির প্রেক্ষিতে ৪টি জিডি করা হয়েছে এবং সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সরষপুরবাসী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজী আলাউদ্দিন আহমদ, এম এ সাত্তার, শামছুল ইসলাম, শাহীন, দরছ মিয়া, তৌহিদুল ইসলাম। – বিজ্ঞপ্তি

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: