সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন: হাওরবাসীদের সহায়তায় সরকারের নিকট ইয়ূথফ্রন্টের প্রস্তাবনা

unnamedসুনামগঞ্জসহ হাওর এলাকার দুর্গতদের সহায়তায় সরকারের নিকট প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ ইয়ূথফ্রন্ট। মঙ্গলবার এ উপলক্ষে সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের চেয়ারপার্সন মো. রফিকুল ইসলাম খসরু।

লিখিত বক্তব্যে খসরু বলেন, যে সুনামগঞ্জে গোলাভরা ধান, গোয়ালাভরা গরু আর নদীভরা মাছ ছিল সে সুনামগঞ্জ আজ বিপর্যস্ত। তিনি বলেন, সুনামগঞ্জে সাম্প্রতিক বন্যায় কোনো কৃষক ঘরে ধান তুলতে পারেননি। একফসলি এলাকা হওয়ায় বোরো ফসল ছাড়া অন্য কোনো ফসল করা সম্ভব হয়না। ধান ও মাছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখা সুনামগঞ্জবাসী আজ লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রান নিতে হচ্ছে। অনেকে আত্মসম্মানের ভয়ে ত্রান নিচ্ছেন না। গো খাদ্যের চরম সঙ্কট দেখা দেয়ায় পানির ধরে গরু বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। ফসলহারা হয়ে অনেকে জীবন নির্বাহের জন্য জমিজমা বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি করতে পারছেন না। হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্তদের রক্ষায় সরকারের নিকট তিনি কয়েকটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
এগুলোর মধ্যে হাওরবাসী কৃষকদের কৃষি ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ, ওই এলাকার যুবকদের সহজ শর্তে আড়াই থেতে তিন লাখ টাকা ঋণ প্রদান, সুনামগঞ্জ জেলার জলমহালগুলোর এক বছরের জন্য বন্দোবস্ত স্থগিত করা এবং নদী ও খাল খনন করা। তিনি বলেন, সহজ শর্তে ঋণ পেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বিদেশে গিয়ে অনেকে দেশকে রেমিটেন্সের মাধ্যমে এগিয়ে নেবে। জলমহালগুলোর ইজারা বাতিল করলে হাওরবাসী মৎস্য আহরণ করে জীবন নির্বাহ করতে পারবেন। নদী খননের ফলে একদিকে যেমন বন্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে, অপরদিকে জলাবদ্ধতা থেকেও রক্ষা হবে। তিনি বলেন, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, ছাতক, জগন্নাথপুর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দিরাই, শাল্লা উপজেলার খাদ্য শস্য রক্ষা করতে হলে জগন্নাথপুর উপজেলার রতœা নদী সমধলের হয়ে বেতাউকা পর্যন্ত খাল খননসহ দুই পাড়ে বাঁধ দিতে হবে। শান্তিগঞ্জ বাজারের পাশের নদী খনন, খামারখালী নদী থেকে কোয়াটার কিলোমিটার নতুন খাল খনন এবং নাগেরগার দক্ষিণে এক কিলোমিটার নতুন খাল খনন করলে পানি অতি দ্রুত তারল নদীতে গিয়ে পড়বে। এছাড়া বদরপুর থেকে সামারচর হয়ে কালনী নদী পর্যন্ত খনন, কাজুয়া নদী, বেড়ামারা বিল, শাল্লা উপজেলার সিহাই হয়ে ধনু পর্যন্ত খনন করা হলে উজানের পানি সরাসরি মেঘনা নদীতে মিলিত হবে। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বোরো ফসল স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাজী মো. জালাল উদ্দিন, মো. আহবাব মিয়া, ছইয়ল মিয়া সুহেল, মো. কুহিনুর রহমান, মো. আব্দুল জব্বার শাহি, গিয়াস উদ্দিন, মহিউদ্দিন প্রমুখ। – বিজ্ঞপ্তি

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: