সর্বশেষ আপডেট : ৫৬ মিনিট ৫১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ম্যানচেস্টার হামলা: প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে রোমহর্ষক বর্ণনা

1495543676আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে কনসার্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ২২ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৫৯ জন। সোমবার রাতের এই সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যক্ষদর্শীরা হামলার সময়ের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।
স্টেফানি হল তার কন্যা কেনেডি হলকে নিয়ে মার্কিন পপশিল্পী আরিয়ানা গ্রান্ডের কনসার্টে গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণের পরেই পুলিশ ও জরুরি সেবা প্রদানকারী কর্মীরা ঘটনাস্থলে চলে আসে। কিন্তু তারপরেও তারা সেখানে নিরাপদ বোধ করছিলেন না। স্টেফানি বলেন, বন্দুক নিয়ে পুলিশ উপস্থিত হয় এবং অ্যাম্বুলেন্সও, তারা এত তাড়াতাড়ি ঘটনাস্থলে চলে আসে যে অবিশ্বাস্য। কিন্তু তারপরেও আমরা নিশ্চিত ছিলাম না কি হচ্ছিল। আমরা ভাবছিলাম, ‘হে ঈশ্বর, আমরা নিশ্চিতভাবেই গুলি খেয়ে মরতে যাচ্ছি।’ আমরা উদভ্রান্তের মতো দৌড়াতে দৌড়াতে একটা সেতু পর্যন্ত এসে সেখানে লুকিয়ে পড়ি।
১৭ বছর বয়সী হরকস তার এক বন্ধুর সঙ্গে ছিলেন ঘটনাস্থলে। বিস্ফোরণের সময় তারা স্টেডিয়াম থেকে বের হতে যাচ্ছিলেন। রেবেকা বলেন, আমরা বের হতে যাচ্ছিলাম এবং বিস্ফোরণে কেপে ওঠে তখন এবং বের হওয়ার রাস্তায় ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল। কয়েক মুহূর্তের জন্য সবকিছু চুপ থাকে তারপর মানুষ চিৎকার করে বের হওয়ার দরজার উল্টো দিকে দৌড়াতে থাকে। অনেকে তাদের প্রিয়জনের নাম ধরে ডাকছিলেন। আমরা অভিভাবক থেকে বিচ্ছিন্ন দুটি শিশুকে পাই। শিশুদের তাদের বাবা-মার কাছে পৌঁছে জন্য অপেক্ষা করার সময়ে জরুরি সেবার সাইরেন শুনতে পাই। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ওই শিশুদের তাদের মায়ের কাছে পৌঁছে দিয়ে দৌড়ে নিজেদের মা বাবার কাছে পৌঁছাই।
রেবেকা যোগ করেন, আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে বেঁচে গেছি।
নিকি বেটারিজ নামের একজন তার মেয়ে সামারকে নিয়ে গিয়েছিলেন কনসার্টে। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনি এবং কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আমার পেছনে থাকা মানুষ চিৎকার করে দৌড়াতে থাকে। আমি আমার মেয়ে সামারকে বলি ‘দৌড়াও’ বলে আমি নিজেও দৌড়াতে শুরু করি।
কনসার্টে আসা মেয়ে ও তার বন্ধুকে উদ্ধারে গাড়ি করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সিমন আলসপ ও তার স্ত্রী সারাহ। তিনি বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে বললাম বিস্ফোরণের শব্দটা অনেক জোরালো ছিল। আমরা দেখলাম শিশুরা দৌড়ে বের হচ্ছে। আমি ও আমার স্ত্রী গাড়ি মূল ফটকে নিতে সক্ষম হই এবং আমার মেয়ে শার্লোট ও তার বন্ধু জেমাকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হই।
গ্যারি ওয়াকার ও তার স্ত্রী বিস্ফোরণস্থল থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে ছিলেন, ফটকে অপেক্ষা করছিলেন নিজের মেয়েরা কনসার্ট শুনে বের হয়ে আসার। তিনি বলেন, শেষ গানটির পরে আমরা বড় একটা আলোর ঝলকানি দেখি এবং ভয়াবহ শব্দ ও ধোঁয়া দেখা যায়। আমি আমার পায়ে ব্যথা অনুভব করি। আমার স্ত্রী পাকস্থলিতে ব্যথা পেয়েছে এবং সম্ভবত তার পা ভেঙে গেছে। বিস্ফোরণের ভাঙা টুকরা দিয়ে আমার পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। মাত্র এইটুকুর উপর দিয়ে যাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন তিনি। বিবিসি।
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: