সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভাইরাসের সাত-সতেরো জানুন

aW1hZ2UtMzUxNTAuanBnতথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক:: বলা হয়ে থাকে, ভাইরাস আপনার শত্রু, অথচ হ্যাকারের বন্ধু, বাসা কিংবা কাজের ক্ষেত্র। বাস্তবতা হচ্ছে যেখানেই থাকুন না কেন এই যুগে একটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ছাড়া আপনি এক প্রকার অচল। কিন্তু, জানালা খোলা থাকলে যেমন আলো-বাতাসের পাশাপাশি মশামাছি বা অন্যান্য কীটপতঙ্গ আসে, তেমনি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনও কিন্তু আপনার জীবনযাত্রা সহজ করার পাশাপাশি নীরবে খুঁড়ে চলে বিশাল এক গর্ত! একটু অসচেতন হলেই তাতে খোয়া যেতে পারে মানসম্মান, অর্থসম্পদ এমনকি হুমকির মুখে পড়তে পারে আপনার বা আপনার কাছের মানুষদের জীবন।

এই গর্তের নাম ভাইরাস, যা দিনের পর দিন নষ্ট করতে থাকে আপনার মূল্যবান কম্পিউটার ও শখের মোবাইলফোন তথা এসবের প্রোগ্রাম।

শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে হ্যাকার (সাইবার ক্রিমিনাল, যারা সবসময় ওত পেতে থাকে অন্যের ডিভাইস বা একাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে) সংগ্রহ করতে পারে আপনার ব্যাংক একাউন্টের তথ্য-পাসওয়ার্ডসহ আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে যে কোনো ছবি বা ফাইল। চাইলে কেউ দুর থেকেও আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন চালু করে শুনে নিতে পারে আপনার কথাবার্তা, দেখতে পারে আপনার কার্যকলাপ! এদের আরেক নাম কম্পিউটার ভাইরাস।

সাদামাটা ভাষায় বলা যেতে পারে, ভাইরাস (VIRUS– Vital Information Resources Under Siege) হচ্ছে কম্পিউটার বা এ ধরনের ডিভাইসের জন্য ক্ষতিকর এক ধরনের প্রোগ্রাম যা অন্যান্য প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে পরিবর্তিত বা ধ্বংসাত্মক করে তুলতে পারে।

সহজ কথায় আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনটিতে বিভিন্ন কাজ করতে ও বিনোদন পেতে আপনি যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন, ভাইরাসও তেমনি একটি প্রোগ্রাম। পার্থক্য এই যে ওই প্রোগ্রামগুলো বানানো হয়েছে আপনার জীবনযাত্রা সহজ করতে আর সেগুলো চলে আপনারই কমান্ডে। কিন্তু, ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসে গোপনে আর এসে কাজ শুরু করার জন্যও কারো অনুমতি বা নির্দেশের তোয়াক্কা করে না। এরা চান্স পাওয়ামাত্র নিজে নিজেই কাজ শুরু করে দেয়। অবশ্য, এটাকে কাজ না বলে ‘ধ্বংসলীলা’বলাই ভালো।

ইন্টারনেটে সংযুক্ত হলে কিংবা অন্য কোনোভাবে ভাইরাস একবার আপনার ডিভাইসের সংস্পর্শে এলে তা শুধু অনুপ্রবেশ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং নিজ থেকে কপি হতে হতে এর হাজারো কপি ছড়িয়ে দেয় আপনার প্রতিটি ফাইলে, ফোল্ডারে ও ড্রাইভে।

এসময় আপনি যদি কোনো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকেন অথবা আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে কোনো ফাইল সিডি, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ডসহ ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, ইমেইল বা ইন্টারনেটের অন্য কোনো মাধ্যমে আরেকটি ডিভাইসে পাঠান তাহলে সেটিও ভাইরাস সংক্রমিত হবে।

ভাইরাসের দ্বারা সংঘটিত বড় ক্ষতির ক্ষেত্রে যে কোনো ফাইল নিজের মতো করে এডিট করা, মুছে ফেলা থেকে শুরু করে হার্ড ডিস্ক রি-রাইট পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়াও কিছু ভাইরাস আছে যারা ফাইল পরিবর্তন না করলেও উদ্ভট তথ্য, অডিও বা ভিডিও বার্তা দেখায়। এদের আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হয় না, কিন্তু এরাও প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ফাইলের জায়গা দখল করে যা পরবর্তীতে ঘটায় সিস্টেম ক্র্যাশ বা মেমোরি লস্টের মতো বড় সমস্যা।

কম্পিউটার ভাইরাসের তাত্ত্বিক ধারণা প্রথম দেন আমেরিকান গণিতবিদ জন নিউম্যান।প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের নাম ছিল এল্ক কনার। ১৯৮২ সালে রিচার্ড স্কেন্টা নামে ১৫-বছরের এক আমেরিকান কিশোর এটি একটি অ্যাপল-২ কম্পিউটার থেকে তৈরি করে ছড়িয়ে দিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল।

আর ১০টা দরকারি সফটওয়্যারের মতো যেহেতু ভাইরাসও এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম, তাই স্বাভাবিকভাবেই এসবের হোতারাও কিন্তু ‘কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ’তথা প্রোগ্রামার। শুধু তাই নয়, অন্যদের মতো এরাও নিয়মিত রিলিজ করেন তাদের প্রোগ্রামের (!) আপডেট ভার্সন– যার ফলে নিত্য পরিবর্তন ঘটছে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে তার লক্ষণসমূহের।

যাই হোক, হররোজ লক্ষণ পরিবর্তিত হলেও এবং দিন-দিন তার তালিকা বড় হলেও মাইক্রোসফট সিকিউরিটি টিমের মতে কিন্তু যে কোনো একটি ডিভাইস ভাইরাসাক্রান্ত কি না স্রেফ তিনটি বিষয় থেকেই তা বোঝা যায়।

দেখুন তো– নিচের তিনটি কথার কোনোটা আপনার সাথে মিলে কি না?

● কম্পিউটার কেমন যেন স্লো!

● হুটহাট এটা-সেটা চালু/বন্ধ হয় আর বিভিন্ন ম্যাসেজ দেখায়

● মডেম বা ব্রডব্যান্ড ইন্ডিকেটর বাতি মাঝে মাঝে নিজে নিজে জ্বলে উঠে বা শব্দ হয়

● ডিভাইস চালু (অন) হতে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয় কোনো ড্রাইভ শো না করলে বা নাম পরিবর্তিত হয়ে গেছে দেখলে হুটহাট ফাইল ‘নাই’ হয়ে গেলে ফাইলের আকার কম বা বেশি দেখালে অস্বাভাবিক এরর দেখালে সময়-তারিখ নিজে নিজে পরিবর্তিত হলে ডিস্কে ব্যাড সেক্টরের সংখ্যা বাড়া কিছু কপি-পেস্ট হতে বেশি সময় নেয়া ফাইল সেইভ বা প্রিন্ট হতে সময় বেশি নিলে স্ক্রিনে অটোম্যাটিক টেক্সট, ছবি বা এনিমেশন আসা-যাওয়া করলে কম্পিউটার/স্মার্টফোন ক্রমাগত স্লো হতে থাকলে বিভিন্ন মেন্যু, অপশন, লিস্ট ইত্যাদি পরিবর্তিত হতে থাকলে ডিভাইসটি ঘন ঘন হ্যাং করলে; বার বার রিস্টার্ট নিলে; বিভিন্ন ফাইলের নামের শেষে .exe যোগ হলে

● ইমেজ ফাইলগুলোর আকার কমে কয়েক কিলোবাইটে চলে আসা এবং না খোলা

● ‘Out of Memory’ বা ‘Insufficient Memory’ বার্তা বারবার দেখালে

● কম্পিউটারে টাস্ক ম্যানেজার (Ctrl+Alt+Del) কাজ না করলে

● রেজিস্ট্রি এডিটর (Start>Run>regedit) কাজ না করলে

● স্টার্ট মেন্যুতে সার্চ অপশন না পাওয়া গেলে

● কোনো প্রোগ্রাম রান না করলেও ৫% এর বেশি সিপিইউ’র ব্যবহার দেখানো

● ফোল্ডার অপশন (My Computer>Organize) না দেখালে

● নিজ থেকেই হিডেন ফাইল শো করলে

● উইন্ডোজ ট্রে নোটিফিকেশন এরিয়ায় একই এরর ম্যাসেজ টানা দেখালে

● কোনো অ্যারর ম্যাসেজ নির্দিষ্ট কোনো এন্টিভাইরাস ইন্সটল করতে বারবার সতর্ক করলে

● হুট করেই মাউস বা কীবোর্ড কাজ না করলে

● উইন্ডোজ অস্বাভাবিক আচরণ করলে

ভাইরাস তো ভাইরাস-ই, তার আবার রকমফের কিসের – আপনি, আমি এমনটা ভাবলেও প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলেন আলবৎ আছে! তাদের মতে এখন পর্যন্ত ১১ ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস পাওয়া গেছে।

এখানে সেসব ক্যাটাগরি ও প্রত্যেকের অন্তর্ভুক্ত কিছু ভাইরাসের নাম উল্লেখ করা হলো:

বুট সেক্টর ভাইরাস: বুট সেক্টর নামটি এসেছে এমএস-ডস থেকে যা আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলিতে মাস্টার বুট রেকর্ড নামে পরিচিত (পার্টিশন করা ডিভাইসের প্রথম ভাগ)। বুট সেক্টর ভাইরাস এসেছিল সেই ফ্লপি’র জামানায়, যখন এই চারকোণা ডিস্ক ব্যবহার করা হতো কম্পিউটার বুট করতে। পরে অবশ্য কম্পিউটারের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাস ছড়ানোর পদ্ধতিতেও আমূল পরিবর্তন এলেও এখনো হঠাৎ হঠাৎ শোনা যায় ফ্লপি ডিস্কের ভাইরাসের কথা।

ব্রাউজার হাইজ্যাকার: আপনি হয়তো কম্পিউটারে বা স্মার্টফোনে কোনো একটি গান, ছবি কিংবা ভিডিও খুঁজতে ইন্টারনেটে ঢুকলেন। গুগল করে খুঁজেও পেলেন সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি। কিন্তু ক্লিক করা মাত্র আপনার ব্রাউজার সেখানে না গিয়ে আপনাকে নিয়ে গেল অন্য আরেকটি সাইটে যেখানে দেখলেন কোনো একটি বিশেষ পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন। এই ধরনের ভাইরাসগুলোকেই বলা হয় ব্রাউজার হাইজ্যাকার।আপাতদৃষ্টিতে খুব নিরীহ আর ভদ্রগোছের বলে মনে হলেও শুধু ওই বিশেষ বিজ্ঞাপনটি আপনাকে দেখানোই কিন্তু এই ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য নয়। এরপরই মূলত শুরু হয় এদের মিশন! আপনি চান বা না চান, মোবাইলে এমবি থাকুক বা না থাকুক (প্রয়োজনে মূল একাউন্ট থেকে টাকা কেটে হলেও), ভাইরাস এবার আপনার ডিভাইসে নামাবে বেনামী সব প্রোগ্রাম যেগুলো বয়ে আনে সত্যিকার সব রিস্ক ফ্যাক্টর। এছাড়াও, ব্রাউজার হাইজ্যাকার ভাইরাস নিজ থেকে আপনার ব্রাউজারে জুড়ে দেয় অখ্যাত সার্চ ইঞ্জিনের টুলবার – আর, এসব স্লো করে দেয় আপনার ইন্টারনেট সার্ফিং।

ওয়ার্ম: বড় বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক টার্গেট করে বানানো হয় এই ধরনের ভাইরাস। স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজে তালগোল লাগানোই এদের কাজ। হালের লাভগেট, এফ, আই লাভ ইউ ইত্যাদি ওয়ার্মের উদাহরণ।

ডিরেক্ট অ্যাকশন ভাইরাস: এ ধরনের ভাইরাস নিজ থেকে কাজ শুরু না করলেও দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকতে পারে আপনার ডিভাইসে। অতঃপর কোনো একদিন সংক্রমিত ফাইলটি এক্সিকিউট করামাত্রই শুরু হয় এর ধ্বংসলীলা। ১৯৮৮ সালে ব্রাজিলের প্রতিটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়া ভিয়েনা ভাইরাস ছিল এই গোত্রের ভাইরাস।

ফাইল ইনফ্যাক্টর: ভাইরাসের এই ক্যাটাগরিরই সদস্য সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ ধরনের ভাইরাসগুলো সংক্রমিত পিসির যে কোনো একটি ফাইলে আশ্রয় নিয়ে এক্সিকিউট হওয়ামাত্র ফাইলটিকে ওভাররাইট করে ফেলে ও তারপর নিজেকে ছড়িয়ে দেয় ফোল্ডার থেকে ফোল্ডারে। ফাইল ইনফ্যাক্টর ভাইরাস সাধারণত আক্রমণ করে .exe টাইপ ফাইলকে।

ম্যাক্রো ভাইরাস: ম্যাক্রো ভাইরাসের তল্লাট মাইক্রোসফট অফিস তথা ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি। ডিভাইস আক্রান্ত হলে অফিস ফাইল খুললে মূল লেখার বদলে আজেবাজে কিছু লেখাজোখা দেখা যায়। তবে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়াবহ দিকটি এই যে যারা আউটলুকের মাধ্যমে ইমেইল যোগাযোগ চালান তাদের ক্ষেত্রে আউটলুক থেকে পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইটের নাম-ঠিকানাসহ মেইল চলে যায় সংরক্ষিত সকল ইমেইল ঠিকানায়।

ট্রোজান হর্স: নামের সাথে ‘ঘোড়া’থাকলেও নিজে না ছুটে এরা বরং যে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে জায়গা করে নেয় তার মালিককেই হয়রানির একশেষ করে দেয়। ট্রোজানের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে যে কোনো মুহুর্তে এটা হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করে দিতে পারে, মানে চিরতরে মুছে যাবে আপনার সব ছবি, ডাটা বা ফাইল। ট্রোজানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এই যে এরা ছদ্মবেশ ধরতে পারে! যেমন ধরুন একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়তো গেইম খেলতে খুব পছন্দ করেন তথা এই ধরনের প্রোগ্রামগুলোই বেশি চালান। ট্রোজান সেক্ষেত্রে নিজেকে একটি গেমিং ফোল্ডার হিসেবে শো করে অপেক্ষা করতে থাকে ক্লিকের জন্য। ব্যবহারকারী মনের ভুলে ওই ফাইলে ক্লিক করামাত্রই সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে যায়।

বহুমুখী ভাইরাস: ভাইরাসের দুনিয়ায় নতুন সংযোজন এই ক্যাটাগরির ভাইরাসরা। সাধারণত একটি ভাইরাস যে কোনো একটি মাধ্যমে ছড়ায় ও কাজ করে– কিন্তু, এই ক্যাটাগরির ভাইরাসগুলো একসাথে একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে। বহুমুখী মাধ্যম ও কার্যপ্রণালী ব্যবহার করার ফলে এই ধরনের ভাইরাসে ক্ষয়ক্ষতির হারও বেশি থাকে।

পলিমরফিক ভাইরাস: আরেকটি শক্তিশালী ভাইরাস-গ্রুপ পলিমরফিক। সংক্রমণের পর থেকে প্রতিটি বিস্তারে কোড চেইঞ্জ (সাধারণত এন্টিভাইরাসগুলো কোড নির্ধারনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে ভাইরাসদের– ফলে কোড চেইঞ্জ হয়ে গেলে একটি ভাইরাসকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না) করে এরা সম্মিলিত আক্রমণ করে আক্রান্ত ডিভাইসে।

রেসিডেন্ট ভাইরাস: ভাইরাসজগতের সবচেয়ে ‘বিশ্রী’ ভাইরাস নিঃসন্দেহে এই রেসিডেন্ট ভাইরাসরা। অন্যান্য ভাইরাস আশ্রয় নেয় বিভিন্ন ফাইলে, যা হার্ড ডিস্কের বিভিন্ন ফোল্ডারে সেইভ করা থাকে, কিন্তু রেসিডেন্ট ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেম থাকাকালীন হার্ড ডিস্কে ঢুকলেও এক সময় আসন গেড়ে বসে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের র‍্যাম তথা মূল মেমোরিতে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় এই যে একবার কম্পিউটারের স্মৃতিতে আশ্রয় নিলে এসব ভাইরাসকে তাড়ানো একরকম অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়, মানে বুঝতেই পারছেন তখন সম্পূর্ণ কম্পিউটার বা স্মার্টফোনটিই ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।

ওয়েব স্ক্রিপটিং ভাইরাস: আমরা প্রায়ই দেখি কোনো কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে তাদের পেইজে প্রদর্শিত ভিডিও বা অন্য কোনো কনটেন্ট দেখতে বিভিন্ন এডঅন ইনস্টল করতে বলা হয়। এ ধরণের ফাইলগুলোর এক্সিকিউশন থেকে ছড়ায় ওয়েব স্ক্রিপটিং ভাইরাস।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: