সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পুলিশের ওপর নজরদারি, চোরের বাড়িতে ২৫ সিসি ক্যামেরা

1495002220আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের মধ্যপ্রদেশের বুলধানা জেলার ইকবালচকের বাসিন্দা শাকিল। তবে দেশটির পুলিশের খাতায় গাড়িচোর হিসেবে নাম রয়েছে তার। অবশেষে অনেক চেষ্টার পর পুণে সিটি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ গত সপ্তাহে জুনাবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে তাকে।
জানা গেছে, ‘ইকবালচকের ডন’ নামে পরিচিত শাকিল উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। তিন বছর বুলধানার রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিস (আরটিও) এ এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছে সে। তার পর হঠাতই বড়সড় গাড়ি চোর হিসাবে নাম করে ফেলে পুলিশ মহলে। এমনকি তাকে ধরতে পুলিশকে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেতে হয়েছে বারবার। ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর নিতিন ভোঁসলে পাতিল বলেন, শাকিলকে তো এক বার প্রায় হাতেনাতে ধরেই ফেলেছিলেন এক পুলিশ কর্মী। কিন্তু ফসকে যায়। পরে, ওই পুলিশ কর্মীকে ফোন করে শাকিল জানায়, ‘ডন কো পাকড়ানা মুশকিল হি নেহি, নামুমকিন হ্যায়’।
পুলিশ আরো জানায়, ইকবাল চকে তিন তলা বাড়ি রয়েছে তার। বাড়িতে লাগানো আছে ২৫টি সিসিটিভি ক্যামেরা। বাড়ির ভিতর কে ঢুকছে, কে বেরুচ্ছে, এমনকি তার বাড়িতে পুলিশ নজর রাখছে কি না, সর্বক্ষণ তদারকি করছে এই ক্যামেরাগুলি। এই বাড়িতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকে শাকিল। প্রথম স্ত্রী থাকেন অন্য জায়গায়।
শাকিলের বাড়িতে এত সিসিটিভি থাকার কারণ সম্পর্কে পুলিশের দাবি, তার বাড়ির চারপাশে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে বাড়িতে বসেই পুলিশের ওপর সবসময় নজর রাখে সে। পুলিশ যদি হানা দেয়, তার বাড়ির পিছনে রয়েছে পাঁচটি পালানোর রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়েই বারবার চম্পট দিয়েছে শাকিল।
ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের কর্তা পঙ্কজ ধাহানে জানান, ইনোভা, এসইউভি’র মতো দামি গাড়ি চুরি করে শাকিল। যেগুলোর সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসাবে বিক্রি হলেও ভাল দাম পায় সে। শাকিলের বিরুদ্ধে ১২টি গাড়ি চুরির অভিযোগ রয়েছে। ধাহানে আরও জানান, মধ্যপ্রদেশের চিনচোর থেকে গাড়ি চুরি করে সেগুলো হায়দারাবাদে গিয়ে বিক্রি করে সে। তল্লাশি চালিয়ে হায়দারাবাদ এবং অওরঙ্গাবাদ থেকে তার চুরি করা দু’টি ইনোভাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শাকিলের গাড়ি চুরির ব্যাখ্যাও দিয়েছে পুলিশ। তাদের মতে, নকল ঠিকানা বানিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাইভেট গাড়ি বুকিং করেন শাকিল। এর পর সেই গাড়ি করে বেশ কিছু দূর গিয়ে ড্রাইভারকে বলে, জল বা খাবার আনতে। এয়ারকন্ডিশনার অন করে রেখে যেতে বলেন। যে সময় ড্রাইভার খাবার আনতে যায়, গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় শাকিল। আরটিও অফিসে কাজ করার সুবাদে, গাড়ির কাগজপত্র জাল করতেও অসুবিধা হয় না শাকিলের, বলে দাবি পুলিশের। আনন্দবাজার পত্রিকা।
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: