সর্বশেষ আপডেট : ৫৫ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

unnamed (2)আমিনুল ইসলাম,কানাইঘাট:: কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা প্রতিনিয়ত ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনা রোগীদের হয়রানী স্টাফ নার্স চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষের গাফলতির কারনে হাসপাতাল বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীদের হয়রানীর যেন শেষ নেই। বিশেষ করে স্বাস্থ্য সেবায় নি¤œ ও মধ্যবিত্ত লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র আশ্রয়স্থল কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু এসব নারী পুরুষের সামন্য পেটে ব্যাথা দেখা দিলে মিলেনা কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা, কর্তৃপক্ষ আরাম আয়েশের কথা চিন্তা করে সহজে এদের বলে দেয় সিলেট ওমেক হাসপাতালের কথা। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন তারা। মনে করেন অজানা কোন বড় রোগে ধরেছে তাদের।

সোমবার সরজমিনে দেখা যায় হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা ওর্য়াডে প্রচুর সিট খালি থাকলেও রোগীর সংখ্যা হাতে গণা কয়েক জন। এর কারন জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন রোগী জানান সামন্য তম জ্বরকাশির জন্য হাসপাতালে আসলে ডাক্তার নেই অজুহাত দেখিয়ে সিলেটে যাওয়ার পরার্মশ দেওয়া হয়। এদিকে হাসপাতালের নোংরা পরিবেশে সুস্থ লোকজন আসলে যেন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ বিষয়ে গত দু সপ্তাহ পুর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম হাসপাতাল পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষকে ভৎসনাও করেছেন। সোমবার সিভিল সার্জন কানাইঘাটে আসবেন এমন খবরে হাসপাতাল পরিষ্কারের জন্য শুরু হয় দৌড়ঝাপ। অবশেষে তিনি না আসলেও যেন ভিতরের কিছুটা হয়েছে পরিষ্কার, তবে মশা-মাছির ঝোপঝাড় দাড়িয়ে আছে আগের মতই। এমতাবস্থায় রোগীদের র্দুভোগের যেন শেষ নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক মহিলা হাসপাতালে আসলে ডাক্তারদের সাথে দেখা করা মুশকিল হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে ডাক্তার আবুল হারিছের সাথে ১২ নম্বর কক্ষে মহিলা ডাক্তারকে ডিউটি করতে দেখা যায়।
এতে করে মহিলা রোগীরা তাদের সমস্যার কথা বলতে বিব্রতবোধ করেন বলে আগত অনেক মহিলা রোগী জানিয়েছেন। এসময় মেডিকেল অফিসারের কক্ষটি তালা বদ্ধ পাওয়া যায়। হাসপাতালে ৫ জন এবং ইউপি পর্যায়ে ২জন এই ৭ জন ডাক্তার থাকার পরও প্রতিদিন হাসপাতালের বর্হি বিভাগ, জরুরী বিভাগ, আর্šÍঃ বিভাগে ১ জন সর্বোচ্চ ২ জন ডাক্তার থাকলেও বাকিরা কি করেন এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। বিশেষ করে ডাক্তারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ইলেট্রনিক্স হাজিরা পদ্ধদি চালু করেছে। কিন্তু তারা হাসপাতালে ডিউটি না করে প্রতিদিনের হাজিরা দেখানো হয় ঠিকমত। তবে সবচেয়ে সুখে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাঈদ এনাম। কোন দিনই তাকে দুপুর ১২টার পুর্বে দেখা যায়নি হাসপাতালে। গত ১১ মে থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে অনুপস্থিত রয়েছেন। মুলত স্বাস্থ্য কর্মকর্তার উদাসীনতার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই বেহাল অবস্থা বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: