সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৯ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ধর্ষণের আগে ভিডিও করার কথা স্বীকার সাফাতের

1494821214

নিউজ ডেস্ক:: অবশেষে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে ধর্ষণের আগে ভিডিও করার কথা স্বীকার করলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের পুত্র সাফাত আহমেদ। গতকাল রবিবার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন ডিবি কর্মকর্তাদের জেরার মুখে সাফাত বলেন, অভিযোগকারী দুই ছাত্রীর সঙ্গে আসা শাহরিয়ার নামে এক চিকিত্সককে মারধরের দৃশ্য তারা ভিডিও করেছে। তবে ধর্ষণ করার আগে গাড়ি চালক বিল্লাল হোসেন ঐ দুই ছাত্রীর সঙ্গে তাদের ওঠাবসার দৃশ্য ভিডিও করেছেন। ধর্ষণ করার সময় গাড়িচালক ভিডিও করেছে কিনা তার জানা নেই। হোটেলের ৭০১ নম্বর কক্ষে মোবাইল ফোনে ভিডিও করার দৃশ্য এখনও পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি।

ছয়দিনের রিমান্ডে নিয়ে সাফাতকে জিজ্ঞাসাবাদকারী কর্মকর্তারা বলছেন, দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের আগে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছেন সাফাত আহমেদ। ধর্ষণ সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন তারা। আর সাদমান সাকিফ সরাসরি দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায় না নিয়ে ঘটনাটি তার জানা ছিল বলে রিমাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। ডিবির কর্মকর্তারা বলেন, ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিলে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেছেন। ওই সময় তাদের পরস্পর যোগাযোগ ছিল। এরপর সাদমানসহ বডিগার্ড আজাদ ও গাড়ি চালক বিল্লালকে সঙ্গে নিয়ে তারা সিলেটের উদ্দেশে পালিয়ে যান। তবে নাঈম আশরাফ ওরফে আব্দুল হালিম কোথায় পালিয়েছেন সে বিষয়টি সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য দেননি সাফাত ও সাদমান।

ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত এজাহারভূক্ত বাকি তিন আসামিকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তারা হলেন, এ মামলার এজাহারভূক্ত দুই নম্বর আসামি সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ, চার নম্বর আসামি দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ ও পাঁচ নম্বর আসামি গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

আবারও অভিযোগকারীর বাসায় দুই যুবকের প্রবেশের চেস্টা :

বনানীতে গণধর্ষণের শিকার বলে অভিযোগকারী দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একজনের বাসায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন সন্দেহভাজন দুই যুবক। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ওই দুই যুবক বাসার সামনে দারোয়ানকে হুমকি-ধমকি দেন বলে এক অভিযোগকারীর ভাষ্য। তারা বাসায় প্রবেশের চেষ্টা করলে দারোয়ান তাদের বাধা দিয়ে বলে, ‘আপনারা এখানে দাঁড়ান, আমি তার (এক শিক্ষার্থী) বাসায় খোঁজ নিয়ে আপনাদের ঢোকার অনুমতি নিয়ে নেই। তখন ডিবি পরিচয়ে আসা দুই যুবক দারোয়ানকে ধমক দিয়ে ভিতরে প্রবেশের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এক পর্যায়ে তারা বাসায় ঢুকতে না পেরে হুমকি ও উচ্চবাচ্য করে চলে যান।’

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতেও মধ্যবয়সী এক নারী পুলিশের পরিচয়ে এক অভিযোগকারীর বাসায় প্রবেশ করেছিল। এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আব্দুল আহাদ বলেন, ভূক্তভোগীদের সবধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: