সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

প্রাণনাশের হুমকিতে শিশু সন্তানদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন এক প্রবাসী

unnamed (3)সাবেক স্ত্রী ও তার সহযোগী দ্বারা প্রাণনাশের হুমকি ও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দিয়ে এক প্রবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের হুমকিতে ওই প্রবাসী তার শিশু সন্তানদের নিয়ে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। রোববার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন নগরীর করেরপাড়ার মোহনা ৪৮ নং বাসার বাসিন্দা মো. আব্দুল তাহিদ।

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল তাহিদ বলেন, তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী। সামাজিকভাবে সদর উপজেলার বসন্তরা গাঁওয়ের জোয়াদ আলীর কন্যা রোকসানা বেগমকে বিয়ে করেন। রোকসানার গর্ভজাত তার দুজন সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি দেশে না থাকার সুবাদে রোকসানা বেগম করেরপাড়ার মোহনা ৩৯ নং বাসার কারী ইসমাইলের পুত্র সুলতান মনসুরের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। এইসব জেনে তিনি ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে দেশে আসেন। দেশে আসার খবর শুনে রোকসানা বেগম ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর তার বাসার ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে সুলতান মনসুরের বাসায় গিয়ে উঠে। এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি জালালাবাদ থানায় রোকসানা বেগম ও সুলতানকে আসামি করে তিনি মামলা করেন। যার নং ০২। মামলা দায়েরের পর রোকসানা ও সুলতান তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাদের হুমকির কারণে জালালাবাদ থানায় ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি জিডি করি। নং ১৩১। সুলতানের সঙ্গে রোকসানার অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকান্ড ও পালিয়ে যাবার পর অবুঝ দুটি শিশুর কথা চিন্তা করে রোকসানা বেগমকে ১১ এপ্রিল আইনানুগভাবে তাকে তালাক দেন। পরবর্তীতে তিনি তার শিশুদের দেখাশুনার জন্য ৭ মে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালাপুর শেখপাড়ার গ্রামের মুক্তার আলীর মেয়ে রুমানা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বলেন, ওইদিন রোকসানার নেতৃত্বে বিয়ের অনুষ্ঠানে আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়। পরে ভুল তথ্য দিয়ে স্থানীয় একটি দৈনিকে তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ কমিশনার বরাবরে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সুলতানা পালিয়ে যাবার পর বাসায় তিনি একটি মেমরি কার্ড পান। এতে রোকসানা ও সুলতানের অন্তরঙ্গ মূহুর্তের অনেক ছবি পাওয়া যায়। এছাড়াও অবৈধ অস্ত্রসহ সুলতানের একটি ছবিও মেমরি কার্ডে পাওয়া যায়। সুলতানকে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র দিয়ে এলাকায় সুলতান মনসুর জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে অনেক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী এলাকাবাসী। প্রাণভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না। তিনি বলেন, সুলতান ও রোকসানা তার এবং শিশু সন্তানদের যে কোনো সময় ক্ষতি করতে পারে। সুলতানের মনসুরের কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রবাসী আব্দুল তাহিদ।
– বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: