সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৯ মে, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বনানীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত ও সাদমান সিলেটে গ্রেপ্তার

10may2017_newspic_021নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সিলেট নগরী পাঠানটুলার রশীদ মঞ্জিল থেকে রাত ৯টার দিকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল তাদের সহযোগিতা ঢাকা থেকে আসা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেপ্তার করে। সিলেট পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার জেদান আল মুসা ডেইলি সিলেটকে বলেন, সাফাত ও সাদমান সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছিল। এমন সময় নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তাদের ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

সাফাত আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে। আর সাদমান পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

রাজধানীর বনানীতে গত ২৮ মার্চ দ্য রেইন ট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের একজন বনানী থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন নাঈম আশরাফ (৩০), সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল (২৬) ও অজ্ঞাতনামা দেহরক্ষী।

কী ঘটেছিলো সেদিন :
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী তরুণীদের একজন উল্লেখ করেছেন, আসামিরা ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত বনানীর দ্য রেইন ট্রি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আমাকে, আমার বান্ধবী এবং এক বন্ধুকে আটকে রেখে সবাইকে মারধর করে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অশ্লীল গালিগালাজ করে। রুমের মধ্যে নেশাজাতীয় মদ্যপান করে আমাকে এক নম্বর আসামি এবং আমার বান্ধবীকে দুই নম্বর আসামি জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। তিন নম্বর আসামি সাকিফকে দুইবছর ধরে চিনি। তার মাধ্যমে এক নম্বর আসামির সঙ্গে পরিচিত হই। গত ২৮ মার্চ তার জন্মদিন উপলক্ষে এক নম্বর আসামির গাড়িচালক ও দেহরক্ষীকে পাঠিয়ে আমাদের নিকেতন হইতে বনানীর রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায়।

হোটেলের ছাদে বড় অনুষ্ঠান হবে বলে আমারদের নেয়া হয়েছিল উল্লেখ করে ওই ছাত্রী এজাহারে বলেন, যাওয়ার পর ওরা ছাড়া আর কোনো লোক দেখি নাই। পরবর্তীতে জোরপূর্বক ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলে সাফাত। ঘটনার প্রতিবাদের কথা বললে নাঈম আমাকে মারধর করে। পরবর্তীতে আমাদের বাসায় দেহরক্ষী পাঠিয়েছিল আমাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য। এতে ভয় পেয়ে যাই এবং লোকলজ্জা ও মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে বন্ধু-আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করতে বিলম্ব হয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: