সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গি আস্তানায় থাকা সুমাইয়ার আত্মসমর্পণ

xfull_1006039128_1494483295.jpg.pagespeed.ic.yUHZtDnOdxনিউজ ডেস্ক:: রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে বের হয়ে বাড়িটির সামনে অবস্থান নেয়া সুমাইয়া নামের এক নারী আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের আহ্বানে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। গোদাগাড়ী থানার ওসি হিবজুর আলম মুন্সি এ তথ্য দেন। তার নাম সুমাইয়া খাতুন। বয়স ২৭ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার রাতেই সন্দেহভাজন আস্তানাটি শনাক্ত করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে সেটি ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল সাড়ে সাতটার পর ভেতরে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীসহ নিহত হয় ছয় জন, যাদের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। তারা সবাই জঙ্গি বলে ধারণা পুলিশের।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জঙ্গি আস্তানা থেকে বেরিয়ে আসেন সুমাইয়া খাতুন। তিনি বিস্ফোরণে নিহত বাড়ির মালিক সাজ্জাদ হোসেনের মেয়ে। জঙ্গিরা আত্মঘাতী বোমার বিস্ফারণ ঘটালে নারীসহ ৫ জঙ্গি নিহত হয়। আর সুমাইয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে তার সামনে অবস্থান নেন।

পুলিশ তাকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানাতে থাকলে এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আত্মসমর্পণে সাড়া দেন।

এর আগে বাড়ি থেকে সুমাইয়ার ৮ বছর বয়সের ছেলে জুবায়ের হোসেন ও তিন মাসের মেয়ে আফিয়া খাতুনকে উদ্ধার করে পুলিশ। সকাল ১১টার পর সুমাইয়া ও তার সন্তানদের পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই গাড়িতে প্রায় ২৫ বছরের এক যুবককেও দেখা গেছে। তিনি সুমাইয়ার দেবর মিনারুল ইসলাম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মিনারুল স্থানীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম।

সুমাইয়ার শ্বশুর বাড়ি পদ্মার চরাঞ্চলে। জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে কয়েকমাস আগে তার স্বামী জহুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। জহুরুল এখন গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী।

এদিকে জঙ্গি আস্তানার আশপাশের এক কিলোমিটার এলাকায় বর্তমানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তারপরেও উৎসুক জনতা নিষেধাজ্ঞা থাকা এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন। জঙ্গি আস্তানার পাশে এখনও থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই, ডিবি পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের কাজ করতে দেখা গেছে। অবস্থান করছেন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। পুলিশ জানিয়েছে, ডিএমপির একটি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে আসছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে মাঠের ভেতর ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ। এরপর তাদের আত্মসমর্পণের জন্য মাইকে আহ্বান করে পুলিশ। কিন্তু সন্দেজভাজন জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করেনি। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে বাড়িটিতে পানি ছিটাতে শুরু করে।

এ সময় বাড়ি থেকে আচমকা জঙ্গিরা বের হয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারপর গ্রেনেড ছুঁড়ে। এরপর তারা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: