সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ক্ষমতা তো এখনো ছাড়িনি’ : শাকিব খান

1493787860বিনোদন ডেস্ক:: চলচ্চিত্রের নানা নিত্য-নতুন খবরে শাকিব খান প্রসঙ্গ যেন থেকেই যাচ্ছে। পারিবারিক টানাপোড়েন, স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও সন্তানকে নিয়ে টিভি লাইভে আসার পর একের পর এক নাটকীয়তার শেষ অঙ্কে এখন তিনি রয়েছেন চলচ্চিত্র সমিতির সাথে তার সমঝোতা। তাই বর্তমান অবস্থা প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকারে মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।

কেমন আছেন?

খুব ভালো আছি।

কিন্তু শিডিউল মোতাবেক তো পাবনা থাকার কথা আপনার?

হা হা হা, না শিডিউল অনুযায়ী পাবনার শুটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সব কি আর পরিকল্পনা মাফিক হয় বলেন।

আচ্ছা, আপনি পরিচালকদের নিয়ে সেই বেফাঁস কথা কি সজ্ঞানে বলেছিলেন। কেন বলেছিলেন?

দেখুন, প্রথমে আপনাকে ভাবতে হবে আমিও একটা মানুষ। কোন সিচ্যুয়েশনে দিন পার করছি। যার কি-না সারারাত কাজ করে সকালে ঘুম ভেঙেছে নিজের স্ত্রীর বেফাঁস মন্তব্য দেখে, সে-ও টিভি লাইভে। আপনি ভাবতে পারেন? সেই অবস্থায় আমার মাথা কি করে কাজ করে বলুন। এদিকে আমি ঢাকা এসেছি একটি ছবির মহরত ও শুটিংয়ের কাজ নিয়ে। সেই শুটিং শেষ না করলে ঈদ হবে না। ঈদটা আমাদের প্রত্যেকের ক্যারিয়ারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি আপনিও জানেন। এই অবস্থায় একের পর এক আমার ওপরে স্টিম রোলার চালানো হচ্ছে। একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।

আপনি বেশ ক’বারই এসব ষড়যন্ত্রের কথা বলেছেন। আপনার বিরুদ্ধে কারা ষড়যন্ত্র করবে? কেন করবে? পুরো ঘটনাগুলোই তো আপনার ব্যক্তিগত টানাপোড়েন।

সেখানেই তো প্রশ্ন। আর কোনো সুপারস্টারের জীবন কখনো ব্যক্তিগত থাকে না। আমার পরিবারের ওপরেই প্রথমে হাত দেওয়া হয়েছে, যাতে আমি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই। ষড়যন্ত্র ওরা আমার ঘর থেকেই শুরু করেছে।

যাই হোক, এখন তো আর কোনো সমস্যা নেই। চিত্রনায়ক আলমগীর আপনার অভিভাবক হিসেবে সবকিছুর সমাধান দিলেন। সবকিছু তো এখন ঠিকঠাক—

দেখুন, কখনোই কোনোকিছু এলোমেলো ছিল না। কারণ এই পরিচালক সমিতি তো আমার পরিবার। আমি তো তাদের হাতেই গড়া। আমার মানসিক বিপর্যয়ের সময় অনেক কথার ভেতরে একটি কথা ভুল বলে ফেলেছি। আর আমাদের অভিভাবক আলমগীর ভাই চেয়েছেন, আমি গিয়েছি। এই ইন্ডাস্ট্রির বাইরে আমি আর কোথায় যাবো। আলমগীর ভাইও বললেন, নিজেদের ভেতরে ভুল বোঝাবুঝি করে কোনো লাভ নেই।

এবার বলেন, আপনার স্ত্রী-সন্তানরা কেমন আছে? আমাদের চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস কেমন আছেন? শাকিব-অপু জুটি কী আপাতত দেখা যাবে না?

ভালো ছিল, এখনো ভালো আছে। কারণ আমি কখনোই ওদের প্রতি দায়িত্বহীন ছিলাম না। আমাকে বারবার ভুল ব্লেম গেমে ফেলানো হচ্ছে। এটাই আমি বারবার বলার চেষ্টা করছি। না, এখনই শাকিব-অপু জুটির নতুন ছবি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।

তাহলে আপনি বলছেন আপনাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। কিন্তু কেন?

দেখুন, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় শতভাগ আমার কাঁধে। আমার ছবি ছাড়া ডিস্ট্রিবিউটররা ছবি নিতে চান না। এটা অহঙ্কার না, বাস্তবতা। সেখানে আমাকে ডিস্টার্ব করলেই তো সবার কাজ হাসিল হয়ে যায়। আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রির যেটুকু সম্ভাবনা ছিল সেটিও নিভে যাবে।

কিন্তু এক্ষেত্রে তো যৌথ প্রযোজনার নামে নানা প্রতারণামূলক কাজের জন্য এগিয়ে এসেছেন, আপনি তাদের সাথে হাত বাড়িয়েছেন বলে আপনারই এক সময়ের ঘনিষ্ঠ কলিগ অভিযোগ করেছেন। এর জবাবে কী বলবেন?

আমি কখনোই এমন কাজ করিনি, যেটাতে দেশের ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতি হয়। আর আমার আগে অনেক সিনিয়ররাই তো টলিউডে কাজ করেছেন। সেসময় তাদেরকে আরো সম্মানের জায়গায় রাখা হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো, আমার কাজগুলোকে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। আমি দুই বাংলায় সমান নির্ভরযোগ্য অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেছি। এটিই সবচেয়ে বড় শুকরিয়ার বিষয়।

এবারে আসছে ৫ মে-তে অনুষ্ঠিত শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে বলুন? নিশ্চয়ই সেদিন কোনো শুটিং করবেন না আপনি। নির্বাচনের উত্সবে এফডিসিতে থাকবেন না?

অবশ্যই, আমার সমিতি আর আমি থাকবো না। ক্ষমতা তো এখনো ছাড়িনি। কারণ আমি হস্তান্তর করলেই তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কমিটি ক্ষমতা বুঝে নেবে। তাই নিজের সমিতির নির্বাচন আর আমি থাকবো না, তা কি করে হয়। আমি এই ইন্ডাস্ট্রির সন্তান। তাই আমার ঘরেই আমি ভুল করবো। কিন্তু এমন কোনোকিছু করিনি বা করবো না, যাতে এই ইন্ডাস্ট্রির কোনো ক্ষতি হয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: