সর্বশেষ আপডেট : ১২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৫৮ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মীর নিয়োগপত্র নেই

daroyan-l20170430234652নিউজ ডেস্ক:: দেশে সর্বোমোট সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে তিন লক্ষাধিক নিরাপত্তাকর্মী কর্মরত আছেন। যাদের ৯২ শতাংশ পুরুষ আর ৮ শতাংশের কাছাকাছি মহিলা। তবে ৫৮ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মীর কোনো নিয়োগপত্র নেই। নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর পরিচালিত এক জরিপে এ তথ্য জানা গেছে।

শ্রমিকের অধিকার-সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) প্রচলিত পাঁচটি শ্রমঘন খাতে মে দিবসের বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে-নিরাপত্তা, পরিবহন, হোটেল-রেস্তোরাঁ, রি-রোলিং মিল, হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮০ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মী দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন। ৪৮ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মী দৈনিক ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা এবং ২৪ শতাংশ শ্রমিক দৈনিক ১৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন। ৫০ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মী নিয়মিত কর্মবিরতি ছাড়াই কাজ করেন। প্রায় ৬৬ শতাংশ নিরাপত্তাকর্মীর সাপ্তাহিক ছুটি নেই এবং ৮০ শতাংশ কর্মী মে দিবসে এবং ৮৬ শতাংশ কর্মী স্বাভাবিক সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করেন।

dd

পরিবহন (দূরপাল্লা)

বিআরটিএ নিবন্ধিত দূরপাল্লার গণপরিবহনের সংখ্যা ৪০,৯৩৫টি। সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নের প্রচলিত হিসাবসমূহ আমলে নিয়ে অনুমান করা যায়, আরও প্রায় ৫,০০০ অনিবন্ধিত দূরপাল্লার গণপরিবহন রয়েছে। তবে পরিবহন খাতের কোনো শ্রমিকের নিয়োগপত্র নেই। সকল শ্রমিক দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন। ৪৬ শতাংশ শ্রমিক দৈনিক ১৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন। এছাড়া ৪০ শতাংশ শ্রমিক দৈনিক ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেন। ২০ শতাংশ পরিবহন শ্রমিক কোনো নিয়মিত কর্মবিরতি ছাড়াই কাজ করেন। ৯৮ শতাংশ পরিবহন শ্রমিকের সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটি নেই। ৮৪ শতাংশ শ্রমিক মে দিবসে কাজ করেন।

হোটেল-রেস্তোরাঁ

ছোট, মাঝারি ও বড় সব মিলিয়ে দেশে আনুমানিক দেড়লাখ হোটেল/রেস্তোরাঁ আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা নয় লাখের বেশি। জরিপে দেখা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানে ২২ শতাংশ নারী শ্রমিক কাজ করেন। এছাড়া ১৮ বছরের কম শ্রমিক রয়েছে ৬ শতাংশ। ৪৪ শতাংশ কর্মীর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। ৯০ শতাংশ শ্রমিকের নেই নিয়োগপত্র। ৯৮ শতাংশ শ্রমিক দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন।

dd

রি-রোলিং

রি-রোলিং কারখানার শ্রমিকদের কোনো নিয়োগপত্র নেই। ম্যানুয়েল ও আধা-স্বয়ংক্রিয় রি-রোলিং কারখানায় ১৫০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় লৌহ পদার্থ গলানো হয়। শ্রমিকদের সর্বনিম্ন ৬৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার মধ্যে কাজ করতে হয়। জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, রি-রোলিং মিলের ৯২ শতাংশ শ্রমিক দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন।

হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে আনুমানিক সাড়ে সাত হাজার বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টার/প্যাথলজি ল্যাব রয়েছে। এদের মধ্যে ২,৭১৮টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং ৪,৫৯৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব।

dd

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, এ খাতে কর্মরত শ্রমিকের ৬৮ শতাংশ নারী। ৩৪ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক বা এর বেশি পড়াশোনা করেছেন। এ খাতে কর্মরত ৩২ শতাংশ শ্রমিকের কোনো নিয়োগপত্র নেই। ৪২ শতাংশের বেশি শ্রমিক দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন।

বিলস’র পক্ষে এ গবেষণা প্রতিবেদনের বিষয়ে বলা হয়, গুণগত ও পরিমাণগত পদ্ধতি প্রয়োগে প্রাথমিক ও গৌণ উভয় উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণা পর্যালোচনা, জরিপ, দলগত আলোচনা ও সাক্ষাৎকার পদ্ধতি বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে শুধুমাত্র ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সুসংগঠিত প্রশ্নপত্রের আলোকে ২৫০টি জরিপ পরিচালিত হয়। প্রতিটি খাতে ৫০টি জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে এ গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। – জাগো নিউজ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: