সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দুদক নিরপেক্ষভাবে সুনামগঞ্জের হাওর রক্ষা বাঁধের তদন্ত করবে

Alokito-Belal-600x312ডেস্ক রিপোর্ট:: সুনামগঞ্জের হাওররক্ষা বাঁধে পাউবোর (পানি উন্নয়ন বোর্ড) দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পেলেই আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দুদক নিরপেক্ষ তদন্ত করবে জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্যেশে এই কর্মকর্তা বলেন, আপনাদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যদি থাকে আমাদেরকে দেন তাহলে সেটিও আমরা কাজে লাগাতে পারব।

তিনি আরও বলেন, আমাদের তদন্তের পাশাপাশি দুদকের ইঞ্জিনিয়ারাও অধিকতর তদন্ত করবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর যদি দেখা যায় যে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি হয়েছে তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পুর্ণভাবে কাজ না করে আইনগতভাবে বিল উত্তোলনের কোন সুযোগ নেই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দুদকের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক শিরিন পারভিন, উপ-পরিচালক রেবা হালদার ও উপ-সহকারি পরিচালক রনজিত কর্মকার।

এর আগে বুধবার সকালে সিলেট পৌছে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার নাজমানার খানুমের সঙ্গে তার কার্যালয়ে গিয়ে বৈঠক করেন দুদক গঠিত অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তারা। ওই বেঠকে তারা হাওরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর দুপুরে দুদকের অনুসন্ধান টিমের সদস্যা যান সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হাইয়ের কার্যালয়ে। সেখানে গিয়ে তারা প্রায় ঘন্টাখানেক আলোচনা করেন।

হাওররক্ষা বাঁধের অনিয়ম-দুর্নীতির অনুসন্ধানে গত ১৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দুদক। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল হোসেনকে প্রধান করা হয়। কমিটির অন্য দুজন হলেন, দুদকের উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহিম ও সহকারী পরিচালক সেলিনা আক্তার মনি। এছাড়া দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান’কে অনুসন্ধান তদন্তকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ থেকে অসময়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের প্রায় সবকটি হাওরের বোরো ফসলী জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়। সরকারি হিসেব মতে ক্ষতির পরিমাণ একলাখ একহাজার হেক্টর ধানী জমি তলিয়ে যায়। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১১হাজার কোটি টাকা। তবে সরকারের এ হিসাব মানতে নারাজ কৃষক ও হাওর বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি তলিয়ে গেছে প্রায় ২লাখ হেক্টরের ফসলি জমি যার ক্ষতির পরিমাণ ২হাজার কোটি টাকা। হাওরডুবির পর থেকেই বাঁধ নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার ও জেলাকে দুর্গত ঘোষণার দাবিতে জেলার সর্বত্র প্রতিনিয়ত মানববন্ধ-সভা-সমাবেশ ঝাড়ু– মিছিল দিয়ে আসছেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক-জনতা সহ বিভিন্ন সংগঠন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: